যাত্রাবাড়ীতে মহাসড়কেই মাছের আড়ৎ, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি
জেষ্ঠ্য প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৫, ১২:৪০
এবারের ঈদযাত্রায় কোথাও বড় ধরনের যানজট কিংবা অনিয়মের খবর পাওয়া না গেলেও যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভোগান্তির কারণে হয়ে দাঁড়িয়েছে মাছের আড়ৎ। মহাসড়কের অর্ধেক অংশ দখলে নিয়ে বসা মাছ ব্যবসায়ীদের কারণে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে থেকে কুতুবখালী এলাকা পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে সেখানে। প্রতিদিনকার চিত্র এটি। যদিও পুলিশের সামনেই ঘটছে এমন অনিয়ম।
সরজিমন ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশ দখল করে চলছে মাছের ব্যবসা। ভোর থেকে প্রায় দুপুর পর্যন্ত এই এলাকায় মহাসড়কের অর্ধেকের বেশি দখলে থাকে শত শত মাছ ব্যবসায়ীর। ফলে যাত্রাবাড়ী থেকে মহাসড়কের কাজলা, শনির আখড়া, রায়েরবাগ হয়ে মাতুয়াইল মেডিকেল এলাকা পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়।
এছাড়া বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তানসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও এখানকার যানজটের প্রভাব পড়ে। এতে দিনের শুরু থেকেই যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষদের।
পুলিশের নাকের ডগায় মহাসড়ক দখল করে মাছ ও সবজির ব্যবসা করলেও নির্বিকার যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। নেই ট্রাফিক শৃঙ্খলা। দীর্ঘ সময় মাছের ডালা নিয়ে বসে থাকে ব্যবসায়ীরা। মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নিচেও বসে শতাধিক মাছ কাটা ও বরফের দোকান। এতে মাছের পানি ও রক্তের দুর্গন্ধে এই পথে চলা দায়। এতে বরফ গলা পানিতে ভিজে যায় সড়ক। স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা পানি ও দুর্গন্ধে নাক বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম। নাক টিপে, কাপড় উপরে তুলে কোনো মতে যাতায়াত করেন পথচারীরা।
পাশাপাশি আড়তের বর্জ্য ও পানি ফেলা হচ্ছে রাস্তার ওপর। আড়তগুলোর ফেলানো আবর্জনা ও দুর্গন্ধে পুরো এলাকায় দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহতে হচ্ছে যাত্রীদের।
যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, মহাসড়কের ওপর মাছ, ফল ও সবজির দোকান বসার ফলে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যায়- এমনটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি নিজেও একদিন কয়েকজনকে উঠিয়ে দিয়েছি।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তবে এখানে আড়তের একটা অংশ ইজারা আছে বলেও জানান তিনি।
এনএমএম/এমবি

