ফাঁকা ঢাকায় স্বস্তির চলাচল, অস্বস্তি ‘বাড়তি ভাড়া’
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:০৫
ছবি : বাংলাদেশের খবর
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী ঢাকা। সড়কে চলাচল করছে স্বল্প যানবাহন। এতে চলাচলে স্বস্তি পাচ্ছেন নগরবাসী। তবে সায়েদাবাদ ও কমলাপুর রেলস্টেশনে সকাল থেকেই এখনো ঘরমুখো মানুষের কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। এ ছাড়া যানবাহন কিংবা মানুষের চাপ রাজধানীর অন্য কোথাও চোখে পড়েনি।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর গুলিস্তান, প্রেসক্লাব, নিউমার্কেট, সায়েন্সল্যাব, শাহবাগ ও যাত্রাবাড়ীসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যা রয়েছে একেবারেই হাতেগোনা। কিছু সময় পরপর গাড়ি চলাচল করছে। আবার বিভিন্ন গন্তব্যের গাড়ি পেতে ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষাও করতে হচ্ছে যাত্রীদের। এ ছাড়া স্বল্প পরিসরে রিকশা, সিএনজি ও বাইক রয়েছে সড়কে। আবার কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন গাড়ির জন্য।
জানতে চাইলে যাত্রীরা বলেন, ১০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করছি নারায়ণগঞ্জের গাড়ির জন্য। এখনো গাড়ি পাইনি। কিছু সময় পর পাব। আজকে সড়ক ফাঁকা রয়েছে। যানজটহীন স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারব।
আরেক যাত্রী নোমান ইসলাম বলেন, সায়েন্সল্যাব থেকে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড যাব। নীলাচলের দুটি গাড়ি পেয়েছি, দুটিতেই যাত্রী দিয়ে ভর্তি ছিল। যার কারণে এখনও দাঁড়িয়ে আছি সড়কে। শিগগিরই গাড়ি পাব। ঈদের কারণে সড়কে গাড়ি অনেক কম রয়েছে।
তবে যাত্রীদের অভিযোগও রয়েছে যানবাহনের চালক-হেলপারদের বিরুদ্ধে। তারা বলছেন, ঈদের দোহাই দিয়ে বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন তারা। যদিও যাত্রীরা এও বলছেন, গাড়ির সংখ্যা কম হওয়ায় বাড়তি ভাড়া নিয়ে ঝামেলাও হচ্ছে না।
যাত্রী পরিবহনের চালক-হেলপারদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলছেন, ঈদের ছুটি চলছে, যাত্রী নেই। গাড়ি বের করলেই জ্বালানি, স্টাফদের বেতন, মালিক জমা সব হিসেব করেই আমরা ১০ টাকা বেশি নিচ্ছি। চেয়েই নেওয়া হচ্ছে। এটা না হলে গাড়ি চালানো কঠিন।
এনএমএম/এমজে

