অবৈধ যৌন ওষুধ ও প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তামান্না ফার্মেসিকে জরিমানা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:৩৮
ছবি : বাংলাদেশের খবর
রাজধানীর গুলশানে অবৈধভাবে যৌন উত্তেজক ওষুধ, আমদানিকারক ছাড়া আনা বিভিন্ন প্রসাধনী ও শিশুখাদ্য গুড়া দুধ বিক্রি ও সংরক্ষণ করার অপরাধে তামান্না ফার্মেসিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এছাড়া বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক ওষুধ, প্রসাধনী ও শিশুখাদ্য গুড়া দুধ জব্দ করা হয়েছে। তামান্না ফার্মেসির মালিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে ভোক্তা স্বার্থবিরোধী এসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন এবং লিখিত প্রতিশ্রুতি দেবেন।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস এবং ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।
অভিযানে দেখা যায়, তামান্না ফার্মেসি আফ্রিকা ও অন্যান্য দেশ থেকে অবৈধভাবে আনা অননুমোদিত যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করছিল। এসব ওষুধের কোনো বৈধ আমদানিকারক নেই। ফার্মেসির প্রত্যেকটি ড্রয়ারে গোপনে এসব ওষুধ সংরক্ষণ করা হয়। এছাড়া বিদেশি প্রসাধনী ও শিশুখাদ্য গুড়া দুধও অবৈধভাবে আনা ও বিক্রি করা হচ্ছিল।
ভোক্তা অধিদপ্তর আইন ২০০৯ অনুসারে তামান্না ফার্মেসিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ, প্রসাধনী ও শিশুখাদ্য গুড়া দুধ জব্দ করা হয়েছে।

মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে আজ গুলশান-১ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। তামান্না ফার্মেসিতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ পাওয়া যায়। এগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে চোরাই পথে আনা হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন প্রকার শিশুখাদ্য, গুড়া দুধ ও প্রসাধনীও অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছিল।’
তিনি আরও জানান, ‘ভোক্তা স্বার্থবিরোধী অপরাধের জন্য তামান্না ফার্মেসি এক লাখ টাকা, বরিশাল ফার্মেসি ২০ হাজার টাকা ও গুলশান ফার্মাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পুনরাবৃত্তি ঘটলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হবে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এএইচএস/এমএইচএস

