স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় শ্যাম ঘোষের ১০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৫, ১৪:৩৫
স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জিত প্রায় ১০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত এসব সম্পত্তির মালিক স্বর্ণ ব্যবসায়ী শ্যাম ঘোষ।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট জানায়, শ্যাম ঘোষের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি ডিএমপির কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং-১২)। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায়, স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। এ থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি একাধিক ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেছেন।
তদন্তে উঠে আসে, যমুনা ফিউচার পার্কের ৬ষ্ঠ তলার সি ব্লকে তিনটি দোকান (5C-054, 5C-055, 5C-056), ‘ইন্ডিয়ান ডোমেস্টিক স্পাই’ রেস্টুরেন্ট, কোতয়ালী থানার ওয়াইজঘাটের ‘বাবুলী স্টার সিটি’ ভবনের ৫ম তলার ফ্ল্যাট, স্বামীবাগের ‘স্বর্ণচাপা’ ভবনের ৬ষ্ঠ তলার ফ্ল্যাট এবং বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ব্লক-বি, লেভেল-৫ এ অবস্থিত ‘নন্দন জুয়েলার্স’ তার বা তার যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তি।
সংবাদ সংক্ষেপ
স্বর্ণ চোরাচালান ও মানিলন্ডারিং মামলায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী শ্যাম ঘোষের প্রায় ১০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক করেছে সিআইডি। যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি, স্বামীবাগ ও ওয়াইজঘাটে তার মালিকানাধীন ফ্ল্যাট, দোকান ও রেস্টুরেন্ট অন্তর্ভুক্ত। আদালত এসব সম্পত্তি রক্ষায় ডিএমপি কমিশনারকে রিসিভার নিয়োগ দিয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর স্পেশাল জজ আদালত এসব সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে সম্পত্তি রক্ষণের দায়িত্বে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
সিআইডি জানিয়েছে, স্বর্ণ চোরাচালান ও মানিলন্ডারিং মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
এনএমএম/এমএইচএস

