যানজট কমাতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ র্যাম্প
ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৫
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকার যানজট নিরসনে অন্যতম বড় অবকাঠামো প্রকল্প এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এরই মধ্যে চালু হওয়া এই এক্সপ্রেসওয়েতে যুক্ত হবে আরও চারটি নতুন র্যাম্প। প্রস্তাবিত এসব র্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্টকে সরাসরি সংযুক্ত করবে মূল এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বলছে, পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কে একটি র্যাম্প, মহাখালী বাস টার্মিনালে একটি র্যাম্প, রামপুরা, আফতাবনগর ও খিলগাঁওকে যুক্ত করতে একটি এবং ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শেষ প্রান্তে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযোগের জন্য আরেকটি র্যাম্প নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।
এদিকে, নতুন র্যাম্প চালু হলে নগরবাসীর যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন ব্যবহারকারীরা। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ইতিবাচক ফল পেলে তবেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা ভাবা হবে।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল এক্সপ্রেসওয়ে র্যাম্প সংযোজনে ধারণক্ষমতা যাচাই, সংযোগস্থলে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, লেন ব্যবস্থাপনা এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে আধুনিক ট্রাফিক ডিজাইন অপরিহার্য। একই সঙ্গে প্রয়োজন জনসচেতনতা ও পর্যাপ্ত সাইনেজ।
বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘র্যাম্প যুক্ত করলে সেখানে ট্রাফিক বাড়বে। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে এক্সপ্রেসওয়ে মূল অংশের ধারণক্ষমতা আছে কি না। লোকাল ট্রাফিক উঠালে মূল অবকাঠামোর হজম করার সক্ষমতা আছে কি না? নতুন র্যাম্প যুক্ত করতে হলে আবার নকশা করতে হবে। আগে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, তারপর বিস্তারিত নকশা এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এই বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে র্যাম্প যুক্ত করা হবে, সেখানকার নিচের সড়কের সক্ষমতা আছে কি না, নতুন করে যানজট তৈরি হবে কি না—এসব মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে।’
৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে এরই মধ্যে ৩১টি র্যাম্প বসানো হয়েছে। এর বাইরে নতুন করে আরও চারটি র্যাম্প বসানোর আগে সম্ভাব্যতা যাচাই ও নকশাগত দিকেই জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
এআরএস

