রাজধানীর শ্যামপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আরাফাত তাজিদ চয়ন (১৭) নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। তিনি সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত হয়েছেন তার বন্ধু মোটরসাইকেল চালক মো. সাহেদ (১৭)।
সোমবার (১৩) দিবাগত রাত ২টার দিকে ধোলাইপাড় ডেন্টাল হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগের নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরাফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের বন্ধু মারুফুল ইসলাম বলেন, রাতে আরাফাত ও শাহেদের এক বন্ধুর মোটরসাইকেল নিয়ে সালাউদ্দিন পাম্প থেকে তেল নিয়ে বের হওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।
পরে আল আমিন নামের এক পথচারী দুজনকে ৩টার দিকে ঢামেকে নিয়ে আসেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরাফাতকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাহেদ ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক এসআই মাইন উদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, ট্রাক ও মোটরসাইকেল একই দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি ওভারটেকিং করতে গিয়ে ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে রাস্তায় ছিটকে পড়ে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী দুজন আহত হয়।
পরে দুজনকে মেডিকেলে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরাফাতকে রাত ৩টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত সাহেদ ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সিমেন্টবাহী ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়েছেন।
মৃতের চাচা কামাল হোসেন বলেন, সকাল ১০টার দিকে পুলিশের মাধ্যমে খবর পাই আরাফাত সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। পরে দুপুরে ঢামেক হাসপাতালে এসে তার লাশ দেখতে পাই।
মৃত আরাফাত কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ার চরের বাসিন্দা। তারা বাবা জুতা ব্যবসায়ী মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে। বর্তমানে জুরাইন ঋষিপাড়ায় পরিবারের সাথে থাকতেন। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে আরাফাত ছিলেন বড়।
এআইবি/ওএফ

