ছবি : বাংলাদেশের খবর
খুলনার কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাইদ বিশ্বাসকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) কয়রা উপজেলার ৪নং কয়রা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মঠবাড়ি গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান রানা, জিয়াদ আলী, ইয়াছিন ও খুলনার বয়রা গ্রামের ফরহাদ হোসেন।
মামলায় সূত্রে জানা গেছে, তিনি মঠবাড়ি গ্রামের সুভাষ চন্দ্র মণ্ডল, নিরাপদ মণ্ডল, মো. শাহাবাজ আলী ও আছাদুল ইসলামসহ ১৬ জন জমির মালিকের কাছ থেকে ৫ বছর মেয়াদে ৩-৪ হাজার টাকা চুক্তিতে সেখানে বাগদা ও অন্যান্য মাছ চাষ করে আসছে। কিন্তু প্রধান আসামির নেতৃত্বে অন্য আসামিরা বাদীর কাছ ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। একইসঙ্গে এ এলাকায় মৎস্য ঘের করতে হলে বাৎসরিক চাঁদা দিতে হবে হুমকি দেয়।
পরে চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা বাদীর মৎস্য ঘেরে প্রবেশ করে টানাজাল ও খেওলা জাল দিয়ে মাছ ধরতে থাকলে তাদের নিষেধ করা হয়। এ সময় আসামিরা উত্তেজিত হয়ে বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘিরে ধরে এবং ঘেরের মাছ লুট করে নেয়।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা ঘেরের রাস্তাঘাট কেটে ৩০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং বাগদা, হরিনা, পারশে, ভেটকি, তেলাপিয়া মাছ ধরে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তাদের কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হলে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ঘেরে ভাঙচুর চালায়। তারা আসবাবপত্র ভেঙে পাশের নদীতে ফেলে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি করে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপির সাবেক নেতা আবু সাঈদ বিশ্বাস বলেন, ‘একটি গ্রুপ মিথ্যা অভিযোগ করে আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। বরং আমার ঘের তারা দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।’
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কয়রা থানার ওসিকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন।
তরিকুল ইসলাম/এমআই

