Logo

সারাদেশ

ফলন ভালো হলেও কাটা-মাড়াই নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

Icon

সাটু‌রিয়া (মা‌নিকগঞ্জ) প্রতি‌নি‌ধি

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৫, ১৫:৫৬

অ
ফলন ভালো হলেও কাটা-মাড়াই নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

ছবি : বাংলাদেশের খবর

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মাঠের পর মাঠ সোনালি পাকা ধানে ভরে থাকলেও, দ্রুত ধান কাটা ও মাড়াই করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষক।

মাড়াই যন্ত্রের (হারভেস্টার) অভাব দেখা দেওয়ায় কৃষকদের মধ্যে গভীর উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। ঝড় বা শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষক।

সরেজমিনে সাটুরিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জমিতে পাকা ধানে পরিপূর্ণ। বিগত কয়েক বছর ধরে ধান কাটার জন্য হারভেস্টার মেশিনের ব্যবহার বাড়লেও, এবার সেই যন্ত্রের তেমন দেখা মিলছে না। সরকার ভর্তুকি দিয়ে এই কৃষিযন্ত্রের প্রচলন করলেও, কৃষকরা বর্তমানে তার সুবিধা খুব বেশি পাচ্ছে না। জানা গেছে এ বছর মাড়াই যন্ত্র (হারভেস্টার) কয়েকটা নষ্ট হওয়া কৃষক বিপাকে পরেছে।

আবার, অন্যান্য জেলা থেকে ধান কাটার জন্য আসা দিনমজুরের সংখ্যাও গতবছরের তুলনায় এ বছর অনেক কম। যারা আসছেন, তারা তীব্র গরমের কারণে বেশি মজুরি দাবি করছেন। এতে করে ধান কাটার খরচ অনেক বেশি হচ্ছে।

উপজেলার হাজিপুর গ্রামের কৃষক নৈমুদ্দি বলেন, নিজের জমিতে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটাতে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি লাগে।সাথে খাবার দিতে হয়। কিছু জমিতে মাড়াই যন্ত্র দিয়ে ধান কাটছি এবার প্রতি শতাংশে ১০০ টাকা যা গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি।

উপজেলার কৈজুরী গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ বলেন, এ বছর মাড়াই যন্ত্রের অভাবে খরচ এবং সময় দুইটাই অনেক বেশি লাগতেছে।

কৃষকের হাতে ধান না থাকলে দাম বাড়লেও, সেই বাড়তি দামের সুবিধা কৃষকরা পায় না। তাই সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনলে কৃষক কিছুটা লাভবান হবেন।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ বছর ৫ হাজার ৩৪৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৩০০ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 

মো. মাসুদ রানা/এমআই

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন