Logo

সারাদেশ

এ যেন খুশির কান্না!

Icon

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৫, ১৫:৩১

অ
এ যেন খুশির কান্না!

সদ্য পুলিশে চাকরি পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কোটচাঁদপুর উপজেলার জয়দিয়া গ্রামের শিমলা হালদার। ছবি : বাংলাদেশের খবর

বর্তমানে সরকারি চাকরি মানেই সোনার হরিণ। সদ্য পুলিশে চাকরি পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কোটচাঁদপুর উপজেলার জয়দিয়া গ্রামের অশোক হালদারের মেয়ে শিমলা হালদার। 

পুলিশে চাকরি তাও আবার মাত্র ১২০ টাকায় । এমনই ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হয়েছে ঝিনাইদহে । কন্সটেবল পদে নিয়োগ পান ২৫ জন প্রার্থী। বুধবার রাতে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনের কার্যালয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের একে একে চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মনজুর মোর্শেদ। এসময় আরো ৫ প্রার্থীকে ওয়েটিং লিস্টে রাখা হয়। এ সময় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের আত্মীয়-স্বজনরা আনন্দে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

জানা যায়, এর আগে গত এপ্রিল মাসের ৪ তারিখ পুলিশের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে সময় মোট আবেদন করেন ১,৭৪১ জন। এরপর চলতি মাসের ৪ মে লিখিত পরিক্ষায় অংশ নেয় ২৬৯ জন । তারমধ্যে ৬৯জন উত্তীর্ণ হওয়ার পর বুধবার ভাইভার মধ্যদিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রথম স্থান অধিকার করেন ঝিনাইদহ শহরের গুলশান পাড়ার আকাশ দাস।

চাকরির খবর পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কোটচাঁদপুর উপজেলার জয়দিয়া গ্রামের অশোক হালদারের মেয়ে শিমলা হালদার। পিতা অশোক হালদার বলেন, কোনো ঘুষ কিংবা তদবির ছাড়াই আমার মেয়ের চাকরি হয়েছে।

পুরো প্রক্রিয়ায় প্রথম হওয়া ঝিনাইদহ শহরের গুলশান পাড়ার আকাশ দাস বলেন, মাত্র ১২০ টাকায় চাকরি পাবো তা কোনো দিনও ভাবিনি । আমার পিতা একজন ভ্যান চালক। অত্যন্ত কঠিন পরিশ্রম করে আমাদের তিনি মানুষ করেছেন। তবে একসময় ভাবতাম ভিন্ন কোনো পেশায় যেতে হবে । কারণ, সরকারি চাকরি মানেই তদবির, ঘুষ। যা আমার পুলিশের এই চাকরিতে কোনোটাই লাগেনি ।

ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মো. মনজুর মোর্শেদ জানান, সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি উত্তীর্ণদের জন্য শুভকামনা জানান ।

তিনি আরও জানান, পুলিশে নিয়োগ নিয়ে প্রথম থেকেই কঠিন স্বচ্ছতার সাথে ধাপে ধাপে এগিয়েছে তারা।

এম বুরহান উদ্দীন/এমআই

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন