Logo

সারাদেশ

মহাসড়কে সিএনজি-ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দাপট, দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে

Icon

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২১:৪৪

মহাসড়কে সিএনজি-ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দাপট, দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে

ছবি : বাংলাদেশের খবর

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মহাসড়কে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল দিনদিন বেড়ে চলেছে। অবৈধ এই যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। আইন প্রয়োগে শিথিলতা এবং মাসোহারা প্রথার কারণে নিষিদ্ধ যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে মহাসড়কে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহন চলাচলের ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। ব্যস্ততম এ সড়কে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এর ফলে ভারী যানবাহনও দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। গত কয়েক মাসে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও লরির সঙ্গে দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।

অটোরিকশা চালক ও মালিকরা অভিযোগ করেছেন, পৌরসভা এলাকায় অন্তত দুই হাজারের বেশি সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত রিকশা চলছে। প্রতিটি গাড়ি চালানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে আঁতাত করে ‘সিরিয়াল ফি’ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা এবং মাসোহারা হিসেবে পাঁচশ’ টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ভুয়া মামলা ও নানা জটিলতায় পড়তে হয়। তারা অভিযোগ করেছেন, এই টাকা গ্যারেজ মালিকদের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়।

ফলে পৌরসদর বাজার এলাকায় ভয়াবহ যানজট তৈরি হচ্ছে। গ্রামীণ সংযোগ সড়কে প্রতিদিন দুই থেকে তিনশত অটোরিকশা চলাচল করে হাঁটা-চলায়ও সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে পুরো বাজার এলাকায় বিশৃঙ্খলা নেমেছে। তবে মাসোহারা আদায়ে তারা বরাবরই তৎপর।

ট্রাফিক সার্জেন্ট মাযহারুল ইসলাম জানান, ‘গ্যারেজ মালিকরা টাকা নিলে তার দায়ভার আমাদের নয়। সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যানবাহনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

এআরএস

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

জনদুর্ভোগ সড়ক দুর্ঘটনা

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন