ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ফেনী-২ (সদর) আসনে নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেলেও অন্যরা নতুন উদ্দীপনায় মাঠে নেমেছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভিপি মনোনয়ন পাওয়ার পর আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করছেন।
অন্যদিকে একই আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বেশ কিছুদিন ধরেই প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।
দলীয় সূত্র জানায়, ছাত্রজীবনে ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের (ফেসকো) ভিপি ছিলেন জয়নাল আবদীন। সেখান থেকেই তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয় ‘ভিপি’ উপাধি। জাসদ থেকে রাজনীতি শুরু করে পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। ১৯৮৮ সালে জাসদ, আর ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন জয়নাল আবদীন ভিপি।
অন্যদিকে জামায়াতের সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে চৌদ্দগ্রামের একটি কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি এরই মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন। শহর ও উপজেলার বিভিন্ন সড়কে তার ছবি সংবলিত বিলবোর্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে।
বিএনপি ও জামায়াত—দুই দলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকার কারণে জয়নাল আবদীন ভিপি ও লিয়াকত আলী ভূঁইয়া দুজনই জেলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে সুপরিচিত মুখ। ফলে স্থানীয় ভোটাররা এবার ফেনী-২ আসনে এই দুই ‘অধ্যাপক’-এর ভোটযুদ্ধ ঘিরে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
ভোটারদের অনেকে মনে করছেন, নির্বাচনে বিজয়ী হবেন সেই প্রার্থী, যিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখেন এবং দলীয় সংগ্রামে অতীতে ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
এম. এমরান পাটোয়ারী/এআরএস

