Logo

সারাদেশ

সিডরের ভয়াল দৃশ্য আজও তাড়িয়ে বেড়ায় উপকূলবাসীদের

Icon

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:৫৯

সিডরের ভয়াল দৃশ্য আজও তাড়িয়ে বেড়ায় উপকূলবাসীদের

ছবি : বাংলাদেশের খবর

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে সিডর ঘূর্ণিঝড়ে পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুর বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে জনপদ মুহূর্তে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। ১৮ বছর পরও সে ভয়াল স্মৃতি তাড়া দিচ্ছে স্থানীয়দের।

মহিপুর ইউনিয়ন এখন মহিপুর থানা। এই এলাকায় দায়িত্বে ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। তবু শক্তপোক্ত বেড়িবাঁধ নির্মাণ হয়নি। ভাঙা বেড়িবাঁধ পরিদর্শন ও আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। সরকারি-বেসরকারি ও দেশী-বিদেশি প্রতিষ্ঠান বহুবার পরিদর্শন করেছে, তবে টেকসই উন্নয়ন হয়নি। বর্ষা মৌসুমে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে বাড়ি-ঘর তলিয়ে যায়, শত শত একর ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে। বহু পরিবার এখন জেলে পেশায় নিয়োজিত।

 নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গইয়াতলা গ্রামের মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘ওই রাতে ঘরবাড়ি, গাছপালা, ক্ষেতের ফসল, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক, বাঁধ সবকিছুই তছনছ হয়ে যায়। সিডরের ১৮ বছর পার হলেও আন্ধারমানিক নদীর মোহনার তীরবর্তী এলাকায় বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ না হওয়ায় এখনো দুর্যোগ ঝুঁকিতে দিন পার করছে শত শত পরিবার।’

কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার, মহিপুর, চম্পাপুর ও লালুয়া ইউনিয়নের প্রায় ১০ কিলোমিটার বাঁধ অরক্ষিত থাকায় বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাস করা পরিবারগুলো এখনও ঝুঁকিতে আছে। সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৭ সালের সিডরে কলাপাড়া উপজেলায় ৯৪ জন নিহত, এক হাজার ৭৮ জন আহত, সাত জেলে নিখোঁজ, চার হাজার ৯৪৪টি গবাদিপশু মারা গেছে এবং ৫৫৩টি নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ বিষয়ে কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ‘দ্রুত বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ নির্মাণে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। তবে অধিকাংশ বেড়িবাঁধ জিও ব্যাগ দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

  •  জাকারিয়া জাহিদ/এমআই

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

নদী ভাঙন

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর