Logo

সারাদেশ

শীতে নিম্ন-মধ্যবিত্তের ভরসা ফুটপাতের গরম কাপড়

Icon

জুয়েল হাসান, বগুড়া

প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৮

শীতে নিম্ন-মধ্যবিত্তের ভরসা ফুটপাতের গরম কাপড়

ছবি : বাংলাদেশের খবর

উত্তরের হিমেল বাতাসে শীত জেঁকে বসেছে বগুড়ায়। রোববার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসে উচ্চ আর্দ্রতা থাকায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফুটপাতে বসা গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।

সকাল থেকেই বগুড়ার সাতমাথা এলাকার ফুটপাতগুলো গরম কাপড়ের ক্রেতায় মুখরিত। দাম সাশ্রয়ী হওয়ায় সেখানে পরিবারের সদস্যদের জন্য শীতের পোশাক কিনতে দেখা গেছে অনেককে।

ক্রেতা আফছার আলী বলেন, ‘এখানে স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন ধরনের কাপড় একসাথে পাওয়া যাচ্ছে। তাই এখান থেকেই সংগ্রহ করছি।’

দামের ব্যাপারে এক ক্রেতা বলেন, ‘মার্কেটে একটি শীতের কাপড়ের দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ ওই টাকায় ফুটপাত থেকে কয়েকটি ভালো কাপড় কেনা যাচ্ছে। আমাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে।’

দিনাজপুর থেকে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবছর মনে হচ্ছে দিনাজপুরের ঠান্ডা বগুড়াতেও চলে এসেছে। শীত বেড়ে যাওয়ায় দোকানিরা একটু বেশি দাম চাইছে, তবুও ফুটপাতই আমাদের ভরসা।’

দোকানদার দুলাল মিয়া বলেন, ‘আমরা হকার্স মার্কেট থেকে বেল্টের সোয়েটার এনে সাতমাথায় বিক্রি করি। ১০০ টাকায়ও সোয়েটার পাওয়া যায়। এগুলো জাপানি ও বিদেশি মাল। লেডিস মাল, জেন্টস কোট, ব্লেজার সবই আছে। বেল্টের মাল ৩০০, ৪০০, ৫০০ টাকায় বিক্রি করি। কোরিয়া ও চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কালেকশন করি।’

ঢাকা থেকে আসা বিক্রেতা আজম মিয়া জানান, ‘একটি জ্যাকেট ২০–৩০ টাকা লাভ রেখে ৭০০ টাকায় বিক্রি করছি। বেচাকেনা মোটামুটি ভালোই হচ্ছে। আমরা ঢাকা থেকে লট নিয়ে এখানে ১৫ থেকে ২০ দিন বিক্রি করে আবার চলে যাই।’

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাতের এসব দোকান সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী বিকল্প হয়ে উঠছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো শীত মোকাবিলায় ফুটপাতের গরম কাপড়কেই প্রধান ভরসা হিসেবে দেখছেন।

এআরএস

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর