চাঁদপুর-৪
'আচরণ বিধি লঙ্ঘন' করে মাদ্রাসা শিক্ষকদের নির্বাচনী প্রচারণা, স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর
প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:১৫
ছবি : বাংলাদেশের খবর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে মাদ্রাসা শিক্ষকরা সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে এক স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিভিন্ন মাদ্রাসার ৫৮ শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আবেদনকারী জানান, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় গত ১০ নভেম্বর প্রকাশিত ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’ এর ২০(খ) ধারা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ না করার নির্দেশনা রয়েছে।
তবে চাঁদপুর-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর পক্ষে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ৫৮ শিক্ষক প্রকাশ্যে হাটে-বাজারে, অফিস-আদালতে, রাস্তাঘাটে, উঠান বৈঠক, মিছিল ও সভায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন – কাউনিয়া হানাফিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মো. ইউনুস (ইউনুস হেলাল), রামদাসেরবাগ আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মো. মিজানুর রহমান, বদরপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মো. মফিজুল ইসলাম ও বালিথুবা সামছুলিয়া আহমদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাহাবুবুর রহমান।
আবেদনকারীর দাবি, এটি নির্বাচনী আচরণ বিধির সরাসরি লঙ্ঘন। নির্বাচনে সমতল প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত করতে এবং আচরণ বিধি মানার জন্য তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও কাউনিয়া হানাফিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মো. ইউনুস (ইউনুস হেলাল)-এর মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সন্তু কুমার বড়ুয়া জানান, তিনি জরুরি কাজে বাইরে আছেন। বিষয়টি সংক্রান্ত আবেদন ডাক ফাইলে রয়েছে এবং তা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলআমিন ভূঁইয়া/এআরএস

