সাগরকন্যা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পর্যটকে মুখরিত
কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৪২
সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে সাগরকন্যা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকে মুখরিত। জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চরসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে দিনভর ভিড়ের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ প্রায় ৩০ কিলোমিটার বিস্তৃত সৈকত পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।
পর্যটকের আগমনে কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, মার্কেটসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যস্ত সময় পার করছে। অনেক হোটেল-মোটেলে কক্ষ সংকটও দেখা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আগত পর্যটকদের একটি বড় অংশ পরিবার ও পিকনিক পার্টি নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন সৈকতে। কেউ সমুদ্রের পানিতে পা ভিজিয়ে আনন্দ উপভোগ করছেন, কেউ ঘোড়া ও বিভিন্ন বাহনে চড়ে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরে দেখছেন। আবার কেউ সৈকতের বেঞ্চিতে বসে ঢেউয়ের সৌন্দর্যে মগ্ন হয়ে সময় কাটাচ্ছেন।
পর্যটকরা কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। ঢাকার এক পর্যটক রবিন বলেন, ‘বছরে এক-দুইবারই বাইরে ভ্রমণে যাওয়া হয়। কুয়াকাটা আমাদের সবচেয়ে পছন্দের স্থান। তাই পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি।’
কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি ইমরান ও রেবা বলেন, ‘কুয়াশার কারণে সূর্যোদয় দেখা না গেলেও বিকেলে লেম্বুর বন এলাকায় পশ্চিম আকাশে সূর্যাস্ত দেখে মুগ্ধ হয়েছি। কুয়াকাটার বিভিন্ন স্পট ঘুরে আমাদের খুব ভালো লেগেছে।’
গ্রিন ট্যুরিজমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কারণে দিন দিন কুয়াকাটায় পর্যটকের আগমন বাড়ছে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশাবাদী।’
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, ‘পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সৈকত ও পর্যটন স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।’
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, ‘আমরা পৌর প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন পর্যটকদের সেবায় নিয়োজিত আছি।’
জাকারিয়া জাহিদ/এনএ

