ভোর সকালেই রোদ ছড়িয়ে জেগে উঠেছে পূবালী সূর্য। তবে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায় শতভাগ থাকায় অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ে। টানা ১৩ দিন ধরে জেলায় মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। ছবি : বাংলাদেশের খবর
ভোর সকালেই রোদ ছড়িয়ে জেগে উঠেছে পূবালী সূর্য। তবে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায় শতভাগ থাকায় অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ে। টানা ১৩ দিন ধরে জেলায় মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। দীর্ঘ শৈত্যপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন এ অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষ।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টাতেও একই তাপমাত্রা রেকর্ড হয়, যা দেশের সর্বনিম্ন। শনিবার তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবারও রেকর্ড হয়েছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ৯ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে এ জেলায়।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কুয়াশা ভেদ করে দেখা মিলেছে সূর্যের। রোদ ছড়ালেও হিম বাতাসের দাপটে রোদের উষ্ণতা যেন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। পেটের তাগিদে তীব্র শীত উপেক্ষা করেই পাথর ও চা শ্রমিকদের নামতে হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে। তবে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
বিকেল গড়ালেই উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে হিমালয়ের হিমেল বাতাস বইতে শুরু করে। সন্ধ্যার পর রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ে, যা ভোর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। তবে দিনের তাপমাত্রা ২৭ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে।
জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, তেঁতুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় টানা ১৩ দিন ধরে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। রোববার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের সর্বনিম্ন। গত ৯ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। গত ৬ জানুয়ারি থেকে উত্তরের এ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে। তবে দিনের তাপমাত্রা ২৭ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। দিনভর রোদ থাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। তাপমাত্রার এ ওঠানামার কারণে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
এসকে দোয়েল/এমবি

