Logo

সারাদেশ

মেঘনায় ট্রলারডুবি : ১০ দিন পর ৩ জেলের মরদেহ উদ্ধার

Icon

বরিশাল প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:৫৭

মেঘনায় ট্রলারডুবি : ১০ দিন পর ৩ জেলের মরদেহ উদ্ধার

ফাইল ছবি।

বরিশালের মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনার ১০ দিন পর নিখোঁজ চার জেলের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ও দুপুরে জেলার হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন- হিজলা উপজেলার পালপাড়া এলাকার সাগর মীরের ছেলে শাহীন মীর (২০), একই এলাকার জাহাঙ্গীর বেপারীর ছেলে নয়ন বেপারী (১৯) ও বাথুয়া গ্রামের কাদের সিকদারের ছেলে আরিফ সিকদার (১৯)।

এ ঘটনায় এখনও হিজলা উপজেলার পালপাড়া গ্রামের মনির সিকদারের ছেলে শাহীন সিকদার (১৮) নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধানে মেঘনা নদীতে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি চালিয়ে যাচ্ছেন।

হিজলা উপজেলার কালিগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মণ্ডল জানান, গত ১০ জানুয়ারি পাঁচ তরুণ জেলে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় মেঘনা নদীর লাল বয়া এলাকায় মাছ শিকারে যান। মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে নৌকাতেই তারা ঘুমিয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে নৌকার ইঞ্জিনের পাখার পাশ দিয়ে পানি ঢুকতে শুরু করলে নৌকাটি ডুবে যেতে থাকে। বিষয়টি টের পেয়ে সবাই সাঁতরে তীরে ওঠার চেষ্টা করেন।

তিনি আরও জানান, শামীম দিদার নামে একজন জেলে সাঁতরে মেহেন্দিগঞ্জের মীরের খাল এলাকায় পৌঁছাতে সক্ষম হন। পরে একটি নৌকা তাকে উদ্ধার করে। তবে ঘন কুয়াশা, তীব্র শীত ও নদীর প্রবল স্রোতের কারণে অন্যদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তারা পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

মঙ্গলবার সকালে মেঘনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় শাহীন মীর ও আরিফ সিকদারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অপরদিকে, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক এনামুল হক জানান, দুপুরে মেঘনা নদীর মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মীরা বাজার এলাকায় নয়ন বেপারীর ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়। পরে স্বজনরা এসে মরদেহটি শনাক্ত করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গাজী আরিফুর রহমান/এমবি 

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

নৌ দুর্ঘটনা

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর