গোপালগঞ্জ–২ আসনে টেলিফোন প্রতীকে লড়বেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩৬
ছবি : বাংলাদেশের খবর
গোপালগঞ্জ–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভুঁইয়া (লুটুল) টেলিফোন প্রতীক পেয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ–২ (গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানীর আংশিক) আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচন কমিশন তাকে তার নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘টেলিফোন’ মার্কা বরাদ্দ দিয়েছে।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় কামরুজ্জামান ভুঁইয়া গোপালগঞ্জ–২ আসনের ভোটারদের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি ‘টেলিফোন’ মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ–২ আসনের টেকসই উন্নয়ন ও বাস্তব পরিবর্তনই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। তিনি অবকাঠামো খাতে রাস্তাঘাট, সেতু ও যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গ্রাম ও শহরের সমন্বিত উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
শিক্ষাখাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সহায়তা, বই-খাতা বিতরণ এবং আধুনিক কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অগ্রাধিকার দিয়ে তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলা, আইসিটি প্রশিক্ষণ, ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তরুণ সমাজকে যুক্ত করার কথাও তিনি বলেন।
কৃষি ও কর্মসংস্থান বিষয়ে কামরুজ্জামান ভুঁইয়া বলেন, কৃষিখাত আধুনিকায়নের মাধ্যমে কৃষক, শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে তরুণদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্থানীয়ভাবে শিল্প ও উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, গোপালগঞ্জে আধুনিক হাসপাতাল ও চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য ঢাকামুখী হতে না হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও মানসম্মত সেবার পাশাপাশি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে কামরুজ্জামান ভুঁইয়া বলেন, তিনি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তির সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ–২ আসনকে একটি আদর্শ উন্নয়ন মডেলে পরিণত করাই তার লক্ষ্য। সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
পলাশ সিকদার/এআরএস

