Logo

সারাদেশ

শিবালয়ে মহাসড়কের বড় গর্ত, যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি

Icon

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৮

শিবালয়ে মহাসড়কের বড় গর্ত, যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি

ছবি : বাংলাদেশের খবর

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শিবালয় উপজেলার একটি অংশে সৃষ্টি হওয়া বড় গর্ত এখন যানচলাচলের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। শিবালয় সদর উদ্দিন কলেজ সংলগ্ন সড়কের এই অংশটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী আরিচা ঘাটের সঙ্গে সংযুক্ত এই মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও নিম্নমানের মেরামতের কারণে বিভিন্ন স্থানে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে শিবালয় অংশের গর্তটি দ্রুত বড় হয়ে উঠায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ফেরি পার হয়ে শত শত যানবাহন যাতায়াত করে। এছাড়া জরুরি রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পণ্যবাহী ট্রাক ও সাধারণ যাত্রীরা এই গর্তের কারণে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। রাস্তার মাঝখানে গর্ত ও একপাশ উঁচু হওয়ায় যেকোনো সময় যানবাহন উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, শিবালয় সদর উদ্দিন কলেজ ও স্থানীয় ডাক্তারখানার মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থিত এই গর্তটি ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো দুর্ঘটনার কারণ হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল হালিম বলেন, ‘রাতের বেলা এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল খুবই বিপজ্জনক। গর্তটি স্পষ্ট দেখা যায় না, তাই মোটরসাইকেল বা রিকশা সহজেই দুর্ঘটনার শিকার হয়।’

এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা রানী কর্মকার বলেন, ‘মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি আমি পরিদর্শন করেছি এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। তারা দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করার আশ্বাস দিয়েছেন।’

মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহরিয়ার আলম জানান, এই অংশের মেরামতের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই সংস্কার কাজ শুরু হবে।

স্থানীয়রা দাবি করেন, কেবল স্থানীয় নয়, সারাদেশের যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মহাসড়কের সংস্কার প্রয়োজন।

সুমন হোসেন/এআরএস

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

জনদুর্ভোগ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর