ছবি : বাংলাদেশের খবর
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় এক শিশুর বস্তাভর্তি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদা থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সংবাদ সম্মেলনে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমেদ সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত রাইয়ান (৫) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসী রাসেল মল্লিকের ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনিয়া আফছারিয়া নূরানী কিন্ডারগার্টেনে শিশু শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো। পরিবারের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন– মো. রিয়াদ মল্লিক (১৯), মো. মিজান মল্লিক (৪২), মো. সাইদুল ইসলাম (৩৬) ও মোছা. পারভীন বেগম (৩৫)। গ্রেপ্তার হওয়া সবার বাড়ি ভাণ্ডারিয়া উপজেলার উত্তর আতরখালী গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নি আক্তার ভাণ্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, আসামি রিয়াদ মল্লিককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ভুক্তভোগী রাইয়ান মল্লিক কোথায় আছে তা জানান। পরে রিয়াদ মল্লিককে সঙ্গে নিয়ে ভাণ্ডারিয়ার ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিয়াদ মল্লিকের দেখানো স্থানে তাদের বসতঘরের সামনের গোয়ালঘরের খড়কুটার ভিতর থেকে বস্তাভর্তি অবস্থায় ভুক্তভোগীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।
এআরএস

