চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে ৬ আহত
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৯
ছবি : বাংলাদেশের খবর
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের উজলপুর গ্রামে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। দুই দলের নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংঘর্ষে দলটির দুই নেতা আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—দর্শনা পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সেক্রেটারি মেহেদী হাসান (৩২) ও দর্শনা পৌর শ্রমিক কল্যাণ সেক্রেটারি হাসান তারেক (২৭)। তাদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিএনপি জানিয়েছে, সংঘর্ষে তাদের তিনজন সমর্থক আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—মুজিবর রহমান, জুনায়েদ হোসেন ও আশিক।
বেগমপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোশাররফ হোসেন অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি মিছিল তাদের নির্বাচনী অফিসের সামনে উসকানিমূলক আচরণ করে। প্রতিবাদ জানালে বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা চালায় ও অফিসের আসবাবপত্র ভাঙে। তবে তিনি বিএনপির অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
অন্যদিকে দর্শনা থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আসলাম হোসেন দাবি করেন, একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলের সময় জামায়াতের কর্মীরা আপত্তিকর মন্তব্য করায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে বিএনপির তিন সমর্থক আহত হন এবং তাদের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আল ইমরান জুয়েল বলেন, রাত ১২টার দিকে জামায়াতের দুই নেতাকে আনা হয়। একজনের মাথায় ও অপরজনের চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তারা হাসপাতাল ছাড়েন।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, দুই দলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জামায়াতের দুজন ও বিএনপির একজন আহত হওয়ার তথ্য মিলেছে। জামায়াতের অফিসে একটি ভাঙা চেয়ার পাওয়া গেলেও কোনো পক্ষ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
ফেরদৌস ওয়াহিদ/এআরএস

