ঝিনাইদহে সুজনের সংলাপে ‘জনগণের মুখোমুখি’ প্রার্থীরা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৫৫
ঝিনাইদহে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর উদ্যোগে ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি : বাংলাদেশের খবর
ঝিনাইদহে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর উদ্যোগে ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়।
সংলাপে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝিনাইদহ-২ (সদর-হরিণাকুণ্ডু) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি আব্দুস সালাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুজনের যশোর অঞ্চলের সমন্বয়কারী মো. খোরশেদ আলম।
সুজনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব মোহাম্মদ আল হাসানের সঞ্চালনায় সংলাপে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলী আজম মো. আবুববকর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আবু তোয়াব অপু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী অ্যাডভোকেট আসসাদুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এইচ এম মোমতাজুল করীম।
সংলাপে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও উপস্থিত দর্শকদের শপথ পাঠ করান ঝিনাইদহ জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফ মাহমুদুল হাসান। এর আগে সংলাপের শুরুতে প্রার্থীদের অঙ্গীকার পাঠ করান সুজনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে আব্দুস সালাম বলেন, সাধারণ মানুষ আসন্ন নির্বাচনের দিকে গভীরভাবে তাকিয়ে আছে। জনগণ একটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ চায়। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ভয়ভীতির রাজনীতি বন্ধ হলেই দেশ এগিয়ে যাবে। তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আগামী সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিক হতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে আব্দুস সালাম বলেন, সাধারণ মানুষ আসন্ন নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের অনেক প্রত্যাশা— তারা একটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ চায়। গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে আগামী সরকার ও তাদের প্রতিনিধিরা সচেষ্ট হবে— এটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ভয়ভীতির রাজনীতি শেষ হলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন হবে।
সংলাপে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থীরা ভোটারদের উদ্দেশে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন এবং সাধারণ জনগণ ও সচেতন ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। বক্তব্যে তারা রেললাইন স্থাপন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি রোধ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এম বুরহান উদ্দীন/এমবি

