Logo

সারাদেশ

গোপালগঞ্জ-২

অতীতের অভিজ্ঞতা-আধুনিক চিন্তায় নাগরিক সেবা দিতে চান এম এইচ খান মঞ্জু

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১২

অতীতের অভিজ্ঞতা-আধুনিক চিন্তায় নাগরিক সেবা দিতে চান এম এইচ খান মঞ্জু

গোপালগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ-২ আসনে বাড়ছে নির্বাচনী উত্তেজনা। এ আসনে একাধিক প্রার্থী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তাদের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু। তিনি অতীতের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে ‘তরুণদের কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে চান।

এম এইচ খান মঞ্জু গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এম এইচ খান মঞ্জু শৈশব থেকেই এলাকার মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্থানীয়দের ভাষায়, জন্মভূমি ও মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্কের কারণেই তিনি আজও অনেকের কাছে ‘নিজের ঘরের মানুষ’ হিসেবে পরিচিত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও প্রতিকূল পরিবেশের কারণে তিনি এক সময় প্রকাশ্য রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন। তবে এ সময়টিকে তিনি কাজে লাগিয়েছেন মানুষের সুখ-দুঃখ বোঝার জন্য। সামাজিক অনুষ্ঠান, পারিবারিক সংকট কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

গোপালগঞ্জ-২ আসনের কাশিয়ানী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায়, হাটবাজার, চায়ের দোকান ও স্থানীয় আড্ডায় এম এইচ খান মঞ্জুকে ঘিরে আলোচনা চলছে। অনেক ভোটারের ভাষ্য, ‘রাজনীতিতে সামনে না থাকলেও তিনি নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছেন। বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণেই তার প্রতি মানুষের আস্থা এখনও অটুট রয়েছে।’

রাজনৈতিক জীবনে এম এইচ খান মঞ্জু নতুন নন। ১৯৮৮ সালে চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সময় রাস্তাঘাট উন্নয়ন, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো উন্নয়নে তার ভূমিকা আজও স্মরণ করেন প্রবীণ ভোটাররা।

নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জ-২ আসনকে আধুনিক ও পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এম এইচ খান মঞ্জু। তার পরিকল্পনায় রয়েছে প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক সেবা, তরুণদের কর্মসংস্থান, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ। সব মিলিয়ে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া জনআস্থা নির্বাচনের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে এম এইচ খান মঞ্জু বলেন, ‘আমি রাজনীতি করেছি মানুষের কল্যাণের জন্য, ক্ষমতার জন্য নয়। নানা ষড়যন্ত্র, ভুল ব্যাখ্যা ও মিথ্যাচারের কারণে একটি সময় আমাকে রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে থাকতে হয়েছে। কিন্তু গোপালগঞ্জের মানুষ থেকে আমি কখনো দূরে থাকিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে যখন দায়িত্বে ছিলাম, তখন রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করেছি। সেই কাজগুলো মানুষ আজও মনে রেখেছে— এটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। ভবিষ্যতে যদি আবার দায়িত্ব পাই, তাহলে অভিজ্ঞতা ও আধুনিক চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে তরুণদের কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে চাই।’

এমবি 

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

সংসদ নির্বাচন

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর