Logo

সারাদেশ

ভোটের কড়াকড়িতে পর্যটকশূন্য কক্সবাজার

Icon

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪৬

ভোটের কড়াকড়িতে পর্যটকশূন্য কক্সবাজার

ছবি : বাংলাদেশের খবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা ৮২ ঘণ্টার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় কার্যত পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে কেউ নিজ এলাকার বাইরে অবস্থান করতে পারবেন না। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে পর্যটননির্ভর এ জেলার অর্থনীতিতে। থমকে গেছে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সব কার্যক্রম।

জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ সময়ে কক্সবাজারের কোনো হোটেল-মোটেলে পর্যটকদের কক্ষ ভাড়া না দেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বুধবার সকাল থেকেই লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট—কক্সবাজারের প্রধান প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলো একেবারে ফাঁকা। সৈকতের বালুকাবেলায় পর্যটকের পরিবর্তে দেখা মিলেছে শুধু স্থানীয় কিছু বাসিন্দার। বছরের অন্যান্য সময় যে সৈকত পর্যটকের পদভারে ও কোলাহলে মুখর থাকে, সেখানে বয়ে গেছে নীরবতার স্রোত।

হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই একে একে বাতিল হতে শুরু করে বুকিং। এতে দৈনিক লাখ লাখ টাকা লোকসানের মুখে পড়েছে পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত হাজারো উদ্যোক্তা। শুধু হোটেল নয়, ক্ষতির বোঝা চেপেছে পরিবহন, রেস্তোরাঁ ও সৈকতকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাঁধেও।

খুরুশকুল এলাকার বাসিন্দা শাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘সাধারণ দিনে তো এখানে পা রাখার জায়গা থাকে না। আজ সৈকতটা দেখে মনে হচ্ছে যেন একেবারেই অন্য কোনো জায়গা।’

ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন/এআরএস

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

সংসদ নির্বাচন কক্সবাজার সৈকত

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর