ফরিদপুর-১ আসনে ৮ প্রার্থীর ৬ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত
আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:০৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই তাদের নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই তাদের নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জন করতে পারেননি।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, এ নির্বাচনী এলাকায় মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯৯৮টি। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বিধি মোতাবেক কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ বা ১২.৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সেই হিসাবে এ আসনে জামানত টিকিয়ে রাখার জন্য ন্যূনতম ৩৯ হাজার ৮৭৫টি ভোটের প্রয়োজন ছিল। তবে ফলাফলে দেখা গেছে, মাত্র ২ জন প্রার্থী এ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে পেরেছেন। বাকি ৬ জনই প্রয়োজনীয় ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।
জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল বাসার খান (ফুটবল) ৩৪ হাজার ৫৫৬ ভোট পেয়েছেন। জামানত রক্ষার লড়াইয়ে তিনি বেশ কাছে গেলেও শেষ পর্যন্ত ৫ হাজার ৩১৯ ভোটের ঘাটতি থেকে যায়। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র মো. গোলাম কবীর মিয়া (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ১ হাজার ৩৭২ ভোট, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মৃন্ময় কান্তি দাস (রকেট) পেয়েছেন ৭৮৬ ভোট, জাতীয় পার্টির সুলতান আহমেদ খান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫০৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসিবুর রহমান (হরিণ) পেয়েছেন ৪৪৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ আব্দুর রহমান জিকো (উট) পেয়েছেন মাত্র ৮৪ ভোট।
অন্যদিকে এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মধ্যে। মো. ইলিয়াস মোল্লা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৬ ভোট। তারা উভয়েই বিপুল ভোটে জামানত রক্ষা করেছেন।
৫ লাখ ১০ হাজার ৫৪০ জন ভোটার অধ্যুষিত ফরিদপুর-১ আসনে ভোট পড়েছে ৬৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
মিয়া রকিবুল/এমবি

