Logo

সারাদেশ

বিএনপির এজেন্টকে মারধর ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Icon

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৩১

বিএনপির এজেন্টকে মারধর ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের সালথায় বিএনপির এজেন্টকে মারধর, বাড়িঘরে হামলা ও মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামে এই সংবাদ করে ভুক্তভোগীরা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে সালথা উপজেলা যুব জমিয়তে ওলামা ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি এনায়েত তালুকদার বলেন, আমাদের দল বিএনপির সাথে জোট করে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এবং নেত্রীর পরামর্শ নিয়ে ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন আমার ভাতিজা এসকেন তালুকদারকে এজেন্ট বানাই। নির্বাচন চলাকালে এসকেন তালুকদার দেখতে পান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের ভাই-ভাতিজা রিক্সা মার্কায় ভোট দিচ্ছিলেন। তখন এসকেন তালুকদার এটা বুঝতে পেরে সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার ও অন্যান্য লোকদের জানান। এই রাগে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে এসকেন তালুকদারকে ধাওয়া করে, তাকে মারধর করে। 

তিনি আরও বলেন, গতকাল জুমার নামাজের পরে হাফিজুর মৃধার ছেলে সিয়াম নামাজ পড়ে বের হয়ে আসার পরে কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। এই মারধরের জের ধরে আমরা দুই পক্ষের লোকজন কথা কাটাকাটি করি। পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রথমে গিয়ে সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের সমর্থকেরা মৃধা বাড়িতে আক্রমণ করে। আমাদের সহযোদ্ধা ধানের শীষের লোক রবিউল মৃধার বাড়ি ভাংচুর করে। পরে আরও দুই সহযোদ্ধা শহিদ ও রিপন তালুকদারের বাড়িতে হামলা করে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে আমাদের উপরে আক্রমণ করে। তারা সামনে চেয়ারম্যান নির্বাচন করবে। এই জন্য সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের সমর্থকরা বাহিরদিয়া গ্রামের সাথে চুক্তি করে রিকশা মার্কায় ভোট দিতেছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে আমাদের উপর দোষ চাপাতে চেয়েছিল এবং আমাদের বিরুদ্ধে তারা মিথ্যাচার করেছে।

ঢাকা মহানগর পুর্ব ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক তালুকদার আমান হুসাইন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমাদের নেত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, কারো সাথে ঝামেলায় যাওয়া যাবে না। এই জন্য আমাদের উপর আক্রমণ হওয়া সত্বেও নেত্রীর কথামতো আমরা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। নির্বাচনের দিন ও পরের দিন ওরা আমাদেরকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি, মারধর, বাড়িঘর ভাংচুর করার হুমকি দেয়। তারপর আক্রমণ করলে আমরা প্রতিহত করায় এই সংঘর্ষ বাঁধে। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের সমর্থকদের সাথে আমাদের এই সংঘর্ষটা হয়েছে। বিষয়টি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারকে অবগত করা হলে তিনি কোনো ভূমিকা না নিয়ে আমাদের উপর আরো চড়াও হয় এবং তার সমর্থকদের উল্টো উস্কানি দেয়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বক্তারা।

মো. পারভেজ মিয়া/এসএসকে/

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

সংঘর্ষ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর