ছবি : বাংলাদেশের খবর
পূর্ববিরোধের জেরে নাটোরের গুরুদাসপুরে হালিমা বেওয়া নামে এক গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপ করে দগ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর তিনি নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দগ্ধ হালিমা বেওয়া উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত শুকুন আলীর স্ত্রী।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, একটি শিশুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য চামেলি বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের নজরুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই নজরুল ও তার সহযোগীরা পরিবারটিকে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চামেলি বেগমের মা হালিমা বেওয়া বিশেষ প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলে নজরুল ও তার সহযোগীরা তাকে লক্ষ্য করে এসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান। এ সময় তার চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে এলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ও পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নাটোর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মাদ মুক্তাদির আরেফীন বলেন, ‘এসিডদগ্ধ হালিমা বেওয়া বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা তাকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নাজমুল ইসলাম/এআরএস

