নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুল বন্ধ, প্রধান শিক্ষককে শোকজ
চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৭
৫১ নম্বর হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি : বাংলাদেশের খবর
নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় তালাবদ্ধ করে চলে যাওয়ায় চরফ্যাশন উপজেলার ৫১ নম্বর হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলমকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান এ নোটিশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে বিদ্যালয়টি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় সাংবাদিকরা। বিষয়টি তারা মোবাইল ফোনে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে পরদিন মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে যান সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহাদাত হোসেন। তিনি বিদ্যালয় তালাবদ্ধ থাকার সত্যতা পান।
জানা যায়, ৫১ নম্বর হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষার্থী সংখ্যা দুইশতাধিক।
বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, সোমবার সকালে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে এসেছিলেন। তবে দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে চলে যান।
বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলম বলেন, ‘সোমবার সকালে আমরা ছয়জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলাম। সকালেই একজন শিক্ষক ছুটি নিয়ে চলে যান। বাকি পাঁচজন বিদ্যালয়ে ছিলাম। কেরামতগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থাকায় আমি চারজন শিক্ষককে রেখে সেখানে যাই। পরে জেনেছি, আমি বেরিয়ে যাওয়ার পর ওই চার শিক্ষক বিদ্যালয় তালাবদ্ধ করে চলে যান।’
সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাদাত হোসেন বলেন, ‘আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার সত্যতা পেয়েছি।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘৫১ নম্বর হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলমকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে। জবাব পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মো. ফাহিম/এআরএস

