Logo

সারাদেশ

মোহাম্মদপুরে গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুসহ দগ্ধ ৮

Icon

ডিজিটাল ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ২১:২৯

মোহাম্মদপুরে গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুসহ দগ্ধ ৮

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে একটি প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক শিশুসহ আটজন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

দগ্ধরা হলেন—তারেক রহমান (২৩), মো. মনা (৪০), মিরাজ (৩৬), রেহান বাদল (২৩), মো. জনি (৩৫), মো. আকাশ (২৫), মো. আজাদ (৫৫) ও ইরফান (১১)।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, হুমায়ুন রোডের একটি গ্যারেজে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গ্যারেজটির মালিক মো. মনা হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, একটি প্রাইভেটকার মেরামতের জন্য দুপুরে গ্যারেজে আনা হয়। সেটির ইঞ্জিন ও গ্যাস লাইনের কাজ চলছিল। পাশাপাশি গ্যারেজের ভেতরে আরও কয়েকটি গাড়ির ত্রুটি সারাচ্ছিলেন কর্মচারীরা। তখন হঠাৎ একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে গ্যারেজের ভেতরে থাকা সবাই দগ্ধ হন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ দুজনকে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তারেক রহমানের শরীরের ২০ শতাংশ এবং শিশু ইরফানের ১৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। শরীরের ১২ শতাংশ পুড়ে যাওয়া মনাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর ১ থেকে ৩ শতাংশ পুড়ে যাওয়া পাঁচজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। শুধু বার্ন ইনস্টিটিউটে গত দুই মাসে চিকিৎসা নিয়েছেন ২ হাজার ৭০০ জন। তাঁদের বড় অংশই রান্নাঘরে দগ্ধ হয়েছেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৯ সদস্য দগ্ধ হন। একই দিন ঢাকার রায়ের বাজারে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ৪ জন এবং পরদিন কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আরও ৪ জন দগ্ধ হন।

এএস/

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর