জামালপুরের মেলান্দহে সাংবাদিক নেতা ও মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা-ষড়যন্ত্রমূলক সাংবাদিক সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন আলহাজ নূরুল আলম সিদ্দিকী। তিনি উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জামালপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, মেলান্দহ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, দৈনিক ইনকিলাবের জেলা সংবাদদাতা ও দৈনিক মুক্ত আলোর সম্পাদক-প্রকাশক।
২৫ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে মেলান্দহ রেল স্টেশনস্থ নিজ কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে নূরুল আলম সিদ্দিকী বলেন, আমার পাড়া পড়শি আব্দুর রহমান মন্টু হাজি এবং আমি একই মালিকের কাছ থেকে জমি ক্রয় করি। পতিত সরকারের আমলে মন্টু আমার পরিবারের জমি বেশি দখলে রেখেছেন। এই নিয়ে বিরোধ চলছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমার সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্টের জন্য একটি কুচক্রিমহলের প্ররোচনায় জমি দখলের মিথ্যা অভিযোগ তুলে ভিত্তিহীন-ষড়যন্ত্রমূলক, সাজানো সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। এই সাংবাদিক সম্মেলনে একজন মাদক সম্রাজ্ঞীকেও লেলিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের প্রকৃত ঘটনা জেনে বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ করেছেন। মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান। সংবাদ সম্মেলনে জমি বিক্রেতা, বিএনপি’র নেতা-কর্মী, এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ মন্টু হাজির ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান রানা বলেন-নূরুল আলম সিদ্দিকী আমাদের পরে একখন্ড জমি ক্রয় করেছেন। আমাদের জমি বুঝিয়ে দেয়ার পর তাঁর জমি বুঝিয়ে নিবেন। এটাই বিরোধের কারণ। সর্বশেষ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপি’র মাধ্যমে স্থানীয় বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ বিরোধ নিস্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা সেই অপেক্ষায় আছি।
মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ ওবায়দুনর রহমান জানিয়েছেন-নূরুল আলম সিদ্দিকীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধীয় জমি যেই অবস্থায় আছে, সেই অবস্থায় উভয় পক্ষকে স্থিতিবস্থায় বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
বিকে/মান্নান

