Logo

সারাদেশ

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হিন্দু শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ

Icon

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৮

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হিন্দু শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদনে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক হিন্দু শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ উঠেছে পলাই ভূঁইয়া নামের এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। বলৎকারের কারণে শিশুটির পায়ুপথ দিয়ে রক্তকরণ হলেও ছাত্রদল নেতার ভয়ে চিকিৎসার নেওয়ার সাহস পাচ্ছে না।

পলাশ ভূঁইয়া নেত্রকোনার মদন উপজেলার ৪ নম্বর গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদলের সভাপতি ও গোবিন্দশ্রী গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। গত শনিবার গোবিন্দশ্রী বাজারের বিদ্যালয়ের পাশে এমন ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শিশুটির বাড়ি মাঘান ইউনিয়নের জয়বাংলা একালাকায়। সেখানে স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। গত শুক্রবার তার মামার বিয়ে ছিল। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গোবিন্দশ্রী গ্রামে আসে শিশুটি। শনিবার বিকালে অন্য শিশুদের সাথে গোবিন্দশ্রী বাজারের পাশে বিদ্যালয়ের মাঠে খেলতে যায়। এ সময় পালাশ ভূঁইয়া নামের এক যুবক কৌশলে শিশুটিকে স্কুল ভবনের আড়ালে নিয়ে যায় এবং শিশুটিক বলৎকার করে। পরে তার নানি ও পরিবারের লোকজন শিশুকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্কুল ভবনের পাশে থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের চিকিৎসা নেন। এমনকি উল্টো শিশুটির পরিবার থেকে পলাশ সিগারেটের টাকা আদায় করে। 

শিশুটির নানী জানান, পলাশ আমার কাছে এসে জানান, আমার নাতিকে দিয়ে সে সিগারেটের আনতে পাঠায়। পরে নাকি টাকা নিয়া আর ফিরে যায়নি। পরে আমাকে ভয় দেখিয়ে ১০০ টাকা নেন পলাশ। নাতিকে খোঁজতে গিয়ে দেখি তাকে বলৎকার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই আতংকে আছি।

পল্লী চিকিৎসক খাইরুল ইসলাম জানান, একটি শিশুকে তার নানি ও মামা আমার কাছে নিয়ে এসেছিলো। শিশুটির পায়ু পথ দিয়ে তখন রক্ত ঝরছিল। আমি প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি।

অভিযুক্ত পলাশ ভূঁইয়া জানান, আমি সিগারেট আনতে শিশুকে টাকা দিয়েছেলাম। কিন্তু টাকা নিয়া সিগারেট না আনায় তার নানীর কাছ থেকে টাকা ফেরত এনেছি। আজ বাজারে আসতেই কয়েকজন আমাকে মারধর করে ছেড়ে দিয়েছে। বৎলকারের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি আল-রাব্বি রবিন জানান, বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করেছি। তাকে ডেকে এনে শাসন করেছি।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন করিম জানান, এ বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের খবর/এম.আর


Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন