Logo

সারাদেশ

কালীরচরে সরকারি খাস জমির বন্দোবস্তে জালিয়াতির অভিযোগ

Icon

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:২৪

কালীরচরে সরকারি খাস জমির   বন্দোবস্তে জালিয়াতির অভিযোগ


পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের কালীর চর মৌজায় সরকারি খাস জমির বন্দোবস্ত ও খতিয়ান সৃষ্টিতে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন গণেশ চন্দ্র শীল (৬৫)। তিনি অভিযোগের তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট বন্দোবস্ত কেস ও খতিয়ান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিল করা আবেদনটির স্মারক নম্বর ৫.১০.৭৮০০.০০০.০০৯.১৩.০০০২.২৬.৭৯ এবং তারিখ ৭ জুলাই ২০২৬।

আবেদনে গণেশ চন্দ্র শীল উল্লেখ করেন, কালীর চর মৌজার এস.এ. খতিয়ানভুক্ত জমির একটি অংশ তিনি ১৯৮৫ সালে বৈধ সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছেন। ওই জমিতে তিনি বসতবাড়ি, পুকুর, বাগান, মন্দির ও পারিবারিক সমাধিস্থল নির্মাণ করেছেন। এছাড়া অবশিষ্ট জমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, বন্দোবস্ত কেস নং ২২২ (গলা/২০০৬-২০০৭)-এর মাধ্যমে আনোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী হনুফা বেগমের নামে ১২ নম্বর রেজিস্টার অনুযায়ী দাগ নং ১,৩৬০, ৩৬১ ও ২১৪ থেকে ১.০০ একর জমি অনুমোদনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়। কিন্তু জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের নথিতে দাগ নং ১,৩৬০, ৩৬১ ও ২৩৪ থেকে ১.০০ একর জমি অনুমোদনের তথ্য পাওয়া যায়। অপরদিকে, একই বন্দোবস্ত কেসের কবুলিয়াত ও ২১২ নম্বর খতিয়ানে দাগ নং ১,৩৬০, ৩৬১ ও ২৭৪ থেকে ১.৫০ একর জমির উল্লেখ রয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, বিভিন্ন সরকারি নথিতে দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণে অসঙ্গতি রয়েছে, যা জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়েছে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট জমি প্রবাহমান খালের অংশ, যা স্থানীয় কৃষকেরা কৃষিকাজের স্বার্থে ব্যবহার করে আসছেন। এছাড়া ওই বন্দোবস্তের ভিত্তিতে গলাচিপা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৪৪১৩/২০২৩ নম্বর দলিল, তারিখ ২ মে ২০২৩ অনুযায়ী আনোয়ার হোসেন ও হনুফা বেগম বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে জমি হস্তান্তর করেছেন, যা আবেদনকারীর দাবি অনুযায়ী বন্দোবস্ত নীতিমালার পরিপন্থী।

গণেশ চন্দ্র শীলের অভিযোগ, বর্তমানে ওই জমির ক্রেতারা প্রবাহমান খাল হিসেবে দাবি করা জায়গা দখলের পাশাপাশি তার বসতবাড়িও দখলের চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় তিনি বিষয়টি তদন্ত করে কথিত জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট বন্দোবস্ত কেস ও খতিয়ান বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন বলেন আমি ভূমিহীন হিসেবে বন্দোবস্ত নিয়েছি। সরকারি জমি বিক্রি করা যাবেনা তাও আমি জানি পেটের দায়ে সরকারি জমি বিক্রি করে দিছি।


বিকে/মান্নান

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন