সিংগাইরে অস্তিত্বহীন রাস্তার নামে প্রকল্প
সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৯
ানিকগঞ্জে সিংগাইরে রাস্তার এক ইঞ্চি কাজ না করেও বিল উত্তোলন করে বিএনপি নেতাদের পকেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানাগেছে , সিংগাইর উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড রাজেন্দ্রপুর গ্রামের পাকা সড়ক সংযোগ মিজানের বাড়ী হতে হাসপাতাল মোড় আলমাছের বাড়ী পর্যন্ত একটি মাটির রাস্তা করার শর্তে পিআইও অফিসের মাধ্যমে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে এমপির কোটায় ৪লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। ঐ ওয়ার্ডের মেম্বার কে সভাপতি করেন। কাগজ কলমে প্রকল্প দিয়ে মেম্বার কে দিয়ে ২ লক্ষ টাকা বিল উত্তোলন করে, ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা যুবদল নেতা গোলাম মাওলা বিএনপির সাবেক সভাপতি লুৎফর রহমান, ক্ষমতার অপব্যবহার করে টাকা হাতিয়ে নেন । ঐ রাস্তার কোন দৃশ্যমান কাজ না করে কিভাবেব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষলের চোখকে ফাঁকি দিয়ে তারা দুইলক্ষ টাকা বিল উত্তোলন করলেন এ অনিয়ম নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে কানাঘুষা । তবে রাস্তার সভাপতি ইদ্রিস মেম্বার টাকা উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন আমি আগে কাজ করে পরে বিল উত্তোলন করতে চেয়েছিলাম কিন্ত নেতাদের চাপে আমার বিলে স্বাক্ষর করতে হয়েছে। তবে দুুই লক্ষ টাকার মধ্যে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা রহমান গংরা নিয়ে গেছে। আর ৫০:: হাজার টাকা আমার নিকট আছে। তারা সাত দিনের মধ্যে কাজ করার কথা বলছে,আগেই নিউজ করিয়েন না। রাস্তার মাটি না ফেলে রাস্ট্রের অর্থ আত্মসাৎ করায় ক্ষুন্ন হচ্ছে সরকারের মান।
প্রকল্পের বিল উত্তোলন করলেওরাস্তায় এক টাকার কাজ করেনি। । বিএনপি নেতা নেতা সাইফুর বলেন সরকারি পথ বাদ দিয়ে অন্যত্র কৃষি জমি বিনষ্ট করে রাস্তা করতে গেলে
স্থানীয়দের নেতাদের বাধা মুখে ঐ কাজ করতে পারেন নাই। কিন্ত অর্থ হরিলুটের করছেন,। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বিএনপি নেতা আঃ হাই বলেন আমি শুনেছি রহমান রাস্তার কাজের কথা বলে দেড় লক্ষ টাকা নিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোন কাজ করেন নাই। সরকারি টাকা হজম করতে পারবেনা কাজ করতেই হবে।
বিএনপি নেতা আওলাদ হোসেন বলেন টাকা তুলা হয়েছে সত্য। আমরা বসে কাজ করে সমাধান করব। পিআইও অফিসের প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান বলেন , রাস্তার তথ্য দিয়ে কি করবেন। রাস্তার কাজ করার জন্য চাপ দিয়েছি। রাস্তা হয়ে যাবে , টাকা আত্মসাৎ এরকোন সুযোগ নেই।
বিকে/মান্নান

