পাবনার চাটমোহর পৌর এলাকায় চাটমোহর-হরিপুর সড়কের পাশে
নারিকেলপাড়া মহল্লায় আবাসিক এলাকাতে জৈব সার তৈরির কারখানা
স্থাপন করায় মারাত্মভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দুর্গন্ধময় পরিবেশের কারণে জনস্বাস্থ্য পড়েছে হুমকির মুখে। বিষাক্ত গ্যাসে মারা যাচ্ছে আশপাশের বৃক্ষরাজি। অনুমোদনবিহীন এই জৈব সার তৈরির কারখানা বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, নারিকেলপাড়া মহল্লার মোঃ আমিনুল ইসলাম
মুকুল তিন বছরের জন্য জনৈক শামীম হোসেনের কাছে জায়গা ভাড়া
দিয়েছেন। শামীম হোসেন ভাড়া নেওয়া আবাসিক এলাকায় জৈব সার
তৈরির কারখানা স্থাপন করেছেন। এতে করে এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে
দূষিত হচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জনস্বাস্থ্য পড়েছে হুমকির মুখে।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, এলাকাবাসী পরিবেশ দূষণ না করে এবং দুর্গন্ধ ছড়ায় এমন কাজ মহল্লার বাইরে করার কথা বললেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশ দূষণ এবং মহল্লাবাসীকে দুর্গন্ধে অতিষ্ট করে তুলেছেন কারখানার মালিক পক্ষ।
সরেজমিনে কারখানা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নারী ও পুরুষ তৈরি করা জৈব সার বস্তায় তুলছেন। গরুর গোবর, চা পাতা ডাস্টসহ বিভিন্ন
দ্রব্যাদি স্তপ করে রাখা হয়েছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সেখান থেকে। এই
কারখানার আশপাশের গাছপালা মারা যা”েছ বিষাক্ত গ্যাসের কারণে। দুর্গন্ধে এলাকাবাসী দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন।
এলাকাবাসী অভিযোগ পত্র পাবনা জেলা প্রশাসক, পরিচালক, বিভাগীয় কার্যালয, পরিবেশ অধিদপ্তর, বগুড়া, উপপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনা, সহকারী পুলিশ সুপার, চাটমোহর সার্কেলসহ স্থানীয় প্রেসক্লাবে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জায়গার মালিক আমিনুল ইসলাম মুকুল জানান, তিন বছরের জন্য তিনি এই জায়গা ভাড়া দিয়েছেন। এখানে যদি পরিবেশ দূষণজনিত কোন কিছু করা হয়, তাহলে তা অন্যায়। আমিও বিষয়টি দেখবো। জৈব সার কারখানার মালিক শামীম হোসেন জানান, কারখানার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন দেওয়া আছে। অন্যান্য প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী জানান, যদি অভিযোগ দিয়ে থাকে, তাহলে আবশ্যই আমি বিষয়টি দেখে ব্যব¯’া নেবো।
বিকে/মান্নান

