Logo

সারাদেশ

শেরপুরে পাটের দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

Icon

শেরপুর(বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ২০:৪৭

শেরপুরে পাটের দাম ভালো পাওয়ায়   কৃষকের মুখে হাসি


বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় এ বছর ১২০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।

উপজেজেলার কৃষকরা এবার খুব ভাল দাম পাচ্ছেন। অতিবৃষ্টি ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় পাটের উৎপাদন ভাল হয়েছে। এনকি খাল-বিল ও ডোবায় পর্যাপ্ত পানি থাকায় পাট জাগ দিতেও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি কৃষকদের।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ১৬৪ হেক্টর জমি পাট চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু অর্জিত হয়েছে ১২০ হেক্টর জমি। এ বছর দেশী, তোষা, মেস্তা ও কেনাফ জাতের পাট চাষ করেছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, সময়মত পরিচর্যা ও বিছা-মাকড়সা প্রতিরোধ করতে পেরেছি তাই পাটের ফলন অনেক বেড়ে গেছে। এখন যেরকম দাম রয়েছে তা ভালই রয়েছে। পাটের দাম ভাল পেলে আগামীতে আরো বেশী জমিতে পাটের চাষ করবো।

খানপুর ইউনিয়নের শালফা গ্রামের কৃষক দবির উদ্দিন জানান, প্রতি বছর পাট চাষ করেন তিনি। অনেক সময় বন্যায় পাট নষ্ট হয়ে যায়। এবার এখনো বন্যা হয়নি। তাই পাটের ফলন ভাল হয়েছে। তিনি ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। তার সব মিলে খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। ২ বিঘা জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে ৮ মণ।

প্রতিমন পাট ৪ হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন তিনি। এতে তার ১৭ হাজার ৮০০ টাকা লাভ হয়েছে। সীমাবাড়ি ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের কৃষক মো. তোতা বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা হাটে পাটের দাম সবচেয়ে ভাল পাওয়া যায়।

এছাড়াও আমাদের ইউনিয়নের সাথেই এ হাট বসে। এবার পাটের দাম ভাল পাওয়ায় চান্দাইকোনা হাটে পাট বিক্রি করতে এসেছি। পাটের এরক দাম পেলে আগামী বছরে পাট চাষের জন্য জমির পরিমান বাড়াবো। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারজানা আক্তার বলেন, এবার শেরপুর উপজেলায় ১২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। সব চেয়ে বেশী চাষ হয়েছে সুঘাট ও সীমাবাড়ি ইউনিয়নে। খানপুর ইউনিয়নেও পাট চাষ হয়ে থাকে। এবার আবহাওয়া

অনুকুলে থাকায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে এবং বন্যা না হওয়ায় পাটের ফলন ও রং অনেক ভালো আছে। তাই কৃষকরা দাম ভালো পাচ্ছে। পাটের রং ভালো থাকলে সাড়ে ৪ হাজার টাকা পর্যন্তও বিক্রি হচ্ছে। আশা করি আগামী বছরে কৃষক পাট চাষে জমির পরিমান বৃদ্ধি করবে।

বিকে/মান্নান

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন