দুই উপজেলার সড়কের ৪৫ বাঁক ‘মরণফাঁদ’
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ২১:০৩
ছবি : বাংলাদেশের খবর
দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলায় ৪৫টি বাঁক এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা। বিশেষ করে পটিয়া মইজ্জার টেক মোড় থেকে দোহাজারী পর্যন্ত সড়কের বাঁকগুলো চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত এক বছরে এখানে ১০-১২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় চালকদের মতে, মহাসড়কের বাঁকগুলো অত্যন্ত সরু ও মাঝে মাঝে অটোরিকশা বা সিএনজি ওভারটেক করার সময় অনেক সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সমস্যার কারণে একে একে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে যাচ্ছে। এসব বাঁকগুলোতে ভীষণ ঝুঁকি থাকায় দুর্ঘটনা যেকোনো সময় বড় আকারে ঘটতে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে।
বিপজ্জনক বাঁকগুলোর মধ্যে পটিয়া মইজ্জার টেক, পটিয়া-আনোয়ারা ক্রসিং, মনসার টেক, বাদামতল, গৈড়লার টেক, নিমতল দরগাহ, আমজুরহাট, পটিয়া পোস্ট অফিস, আদালত গেট মোড়, থানার মোড়, ডাকবাংলোর মোড়, বাসস্টেশন, কমলমুন্সীর হাট, রৌশনহাট, বাদামতল, খাঁনহাট, কলেজ গেইট, বাগিচাহাট, বড়পাড়া, দোহাজারী সহ আরও একাধিক পয়েন্টে এই বিপদ দেখা যাচ্ছে।
এসব ঝুকিপূর্ণ বাঁকের মধ্যে খাঁনহাট মোড়ে ত্রিকোনী বাঁক ও দেওয়ান হাট বাঁক সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চালকদের অভিমত। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে শ্যামলী পরিবহনের চালক মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ‘দেওয়ানহাট মোড়টি ত্রিমূখী হওয়ায় দ্রুতগতিতে গাড়ি আসা বা চলা বোঝা যায় না, এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দোহাজারী ছাড়া অন্যান্য কোথাও ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় সড়ক শৃঙ্খলা বিপদজনকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, ‘এই মুহূর্তে ঝুকিপূর্ণ মোড়গুলোর জন্য কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে সেতু কিংবা বাঁকের আশপাশে সাইনবোর্ড বসানো যেতে পারে।’
এমজে

