ছবি : বাংলাদেশের খবর
তিনদিনের মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শেষে পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। তবে শীতের তীব্রতা এখনো কমেনি। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি গতকালের তুলনায় ৩ ডিগ্রি বেশি হলেও ঘন কুয়াশা এবং হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে।
কুয়াশায় ঢেকে আছে চারপাশ
সকাল থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো পঞ্চগড়। কুয়াশার কারণে দিনের আলো মলিন, প্রকৃতিতে শীত যেন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
জনজীবনে বিপর্যয়
শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। দিনমজুর, পাথর শ্রমিক, ভ্যানচালক এবং চা শ্রমিকদের কাজ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
পাথর শ্রমিক আমজাদ হোসেন বলেন, ‘ঠান্ডায় পাথরের কাজ করতে পারছি না। যা আয় করছি, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’
শীতজনিত রোগের প্রকোপ
জেলায় শীতজনিত রোগের প্রকোপও বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু এবং বৃদ্ধরা সর্দি, কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসার খরচ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য বাড়তি চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাপমাত্রা বাড়লেও শীতের তীব্রতা স্থির
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ বলেন, ‘তিনদিনের মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। আজ সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কুয়াশা এবং হিমেল বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি এখনো তীব্র।’
এসকে দোয়েল/এটিআর

