ছবি : বাংলাদেশের খবর
পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব কাটলেও নতুন করে ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। গত দুইদিন ধরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকা। ফলে দিনভর শীতের অনুভূতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় নিম্ন আয়ের মানুষদের জীবিকা ও স্বাস্থ্যের ওপর বেশ প্রভাব পড়ছে।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুইদিন ধরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ওপরে থাকলেও ঘন কুয়াশা এবং শিশির শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করেছে।
এ পরিস্থিতিতে পাথর শ্রমিক, ভ্যান চালক, চা শ্রমিক, দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষরা কর্মক্ষেত্রে বের হলেও শীতের কারণে তাদের আয়-রোজগারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। শীতবস্ত্রের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন অনেকে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ বাংলাদেশের খবরকে জানান, ‘ দুইদিন ধরে তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে অবস্থান করছে। শনিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এখনো ঘন কুয়াশা এবং শিশির শীতকে আরও তীব্র করে তোলছে।’
এদিকে, শীতের কারণে বিশেষত শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে শীতজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এসকে দোয়েল/এটিআর

