ছবি : বাংলাদেশের খবর
কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনপদে স্থবিরতা নেমে এসেছে। সড়কে বাস ও পরিবহনগুলো হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। সূর্যের দেখা মিললেও তাতে কোনো উত্তাপ নেই। কনকনে ঠান্ডায় কাজে বের হওয়া মানুষজন চরম বিপাকে পড়েছেন, বিশেষ করে গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে ভুগছেন অসহায় মানুষেরা।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে আরো একটি শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
কুড়িগ্রাম পৌর শহরের হাসপাতাল পাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. শামীম বলেন, ‘মাঘ মাস পড়ছে, প্রচুর ঠান্ডা। রিকশা নিয়ে বের হওয়া যায় না। দিনের বেলা কোনোমতে রিকশা চালাতে পারলে রাত ৯টার পর তো সম্ভব হয় না। কী করবো? কাম কাজ না করলে সংসার চলবে কীভাবে?’
একই এলাকার বাসিন্দা মো. নুর ইসলাম বলেন, ‘ঠান্ডা শীতে ঘুম থেকে উঠে কাজে যেতে দেরি হয়। সময়মতো কাজে না পৌঁছালে দিনের কাজ মাটি। আর গরম কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই। খুব কষ্টে দিন যাচ্ছে।’
কুড়িগ্রাম ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই বলেন, ‘জেলার ৯টি উপজেলায় ৪৯ লাখ টাকা ও ১২ হাজার কম্বল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন, যা বিতরণ শেষের পথে।’
এ বিষয়ে রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ৯ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে বিরাজ করবে, তবে আগামী ২৩-২৪ তারিখে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।’

