পাঁচদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। তাপমাত্রা হ্রাস পেয়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। কয়েকদিন ধরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকায় বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে পড়েছে পঞ্চগড়। বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির। কুয়াশার কারণে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় আয় রোজগার কমেছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। পাল্লা দিয়েছে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগ।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ঢাকা প্রকৃতি। ঠান্ডা বাতাসে হাড় কাঁপছে কনকনে শীতে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাতভর তুষারপাতের মতো ঝরছে হিম শিশির। দুর্ভোগে পড়েছেন পাথর শ্রমিক, ভ্যান চালক, চা শ্রমিক, দিন মজুর থেকে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো।
শীতে তাদের আয়-রোজগার কমে গেছে। একদিকে দৈনন্দিন বাজার, আরেক দিকে রোগের চিকিৎসা সবমিলিয়ে পরিস্থিতি বিপাকে পড়েছেন তারা। শীতবস্ত্রের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণে চেষ্টা করছেন তারা।
জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ বলেন, কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা বাড়লেও আজকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এসকে/ওএফ

