শেরপুরে বিনামূল্যে বই পাচারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ২১:১৫
মাধ্যমিক পর্যায়ে বিনামূল্যে বিতরণের প্রায় ৯ হাজার বই বিক্রির উদ্দেশ্যে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকায় পাচারের চেষ্টার ঘটনায় শেরপুর সদর থানায় মামলা হয়েছে। এতে তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মহসীন হাসান ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মাহিদুল ইসলাম ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের নৈশপ্রহরী জামাল উদ্দিন এবং শেরপুর সদর উপজেলার নাজিরাগারা গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে পরিবহনকারী ট্রাকের চালক সজল মিয়া।
গ্রেপ্তার আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরকারি বই পাচার করার চেষ্টা করছিলেন। এবং অর্থ আত্মসাৎসহ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ করা হয়েছে।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম শুক্রবার বলেন, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বই পাচারের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তাদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। সেই সঙ্গে জব্দ করা বইগুলো আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকৃত কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সদর থানার ওসি জানান, একটি চক্র সরকারি বই বিক্রির উদ্দেশ্যে পাচার করছে, এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে শেরপুর সদর থানার পুলিশ সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের ধাতিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় সেখানে একটি বাড়িতে রাখা ট্রাকবোঝাই প্রায় ৯ হাজার মাধ্যমিকের বইসহ পুলিশ ট্রাকটি জব্দ করে এবং পরে সেটি সদর থানায় নিয়ে আসে। ট্রাকটিতে ২০২৫ সালের অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের প্রায় ৯ হাজার বই ছিল। এসব বই কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ঢাকায় পাচার করা হচ্ছিল। এ বইগুলো কুড়িগ্রামের সিজি জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের।
শাহরিয়ার শাকির/বিএইচ

