নরসিংদীর শেখেরচরে ঘরে ঢুকে তিথী নামে এক কিশোরীকে কুপিয়ে হত্যার ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে মাধবদীতে ছেলের হাতে বাবা খুনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, কিশোরী হত্যার ঘটনায় ওই কিশোরীর মা গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
দুটি হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন শেখেরচর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ও মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
শেখেরচরে দুর্বৃত্তের হাতে নিহত তিথী (১৪) মোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে। অপরদিকে, আহত আছমা বেগম (৪০) মোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী।
এদিকে মাধবদীতে ছেলের হাতে খুন হওয়া বাবার নাম আব্দুল গফুর মিয়া (৮৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূতে জানা যায়, সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে নরসিংদী মডেল থানাধীন শেখেরচরে ঘরে ঢুকে মা মেয়েকে কুপিয়ে চলে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে খবর পেয়ে তিথীর বাবা মোফাজ্জল হোসেন নিজের পানের দোকান থেকে বাসায় এসে রক্তাক্ত অবস্থায় বসতঘরে দুজনকে পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের সহযোগীতায় দুজনকেই নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিথীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে আছমা বেগমকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে মাধবদীর ছোট গদাইরচরে বাবাকে হত্যার অভিযোগ ওঠে ছেলের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সন্ধ্যা থেকে বাবা আব্দুল গফুর মিয়ার সাথে তার ছেলে আব্দুর রহমানের দোকান ভাড়া তোলার টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। সকালে গফুর মিয়া ওজু করার জন্য বাইরে গেলে অনেক সময় পরও ঘরে ফেরেননি। পরে বাইরে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ছেলে আব্দুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ।
দুটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সুমন রায়/এমজে

