Logo

সারাদেশ

সড়কে জ্বলে না বাতি, অন্ধকারে পথচলা নগরবাসীর

Icon

সোহাইবুল ইসলাম সোহাগ

প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:২২

অ
সড়কে জ্বলে না বাতি, অন্ধকারে পথচলা নগরবাসীর

ছবি : বাংলাদেশের খবর

কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন সড়কে জ্বলে না বাতি, নেই পুলিশের টহল। নির্দিষ্ট দূরত্বে পর পর ল্যাম্পপোস্টগুলো দাঁড়িয়ে থাকলেও সেগুলোর বাল্ব নিভে থাকে। ফলে দিনের পর দিন রাতের বেলা অন্ধকারে সড়কে চলাচল করতে হচ্ছে নগরবাসীকে‌। 

এদিকে রাতে প্রধান সড়কে ল্যাম্পপোস্টের বাতি যেমন থাকে না, তেমনই দেখা মেলে না সংশ্লিষ্ট থানাপুলিশের টহলও। আর এই সুযোগ গ্রহণ করছে ছিনতাইকারীরা। তাদের কবলে পড়ে টাকা, গহনা, মোবাইলফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়াচ্ছেন অনেকেই। 

নগরবাসী মনে করেন, এসব অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর দেখা গেছে, নগরীর টমসমব্রীজ, কান্দিরপাড়, চকবাজার, তেলিকোনা, শাকতলা, শাসনগাছা, হাউজিং এস্টেট, গোলমার্কেট এবং বাগিচাগাঁয়ে জ্বলছে না বাতি। অন্ধকারেই চলাচল করছেন মানুষজন।

রাতে যারা জরুরি কাজে রিকশা বা সিএনজিতে বের হন, তাদের আতঙ্কের মধ্যেই চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেকে জানিয়েছেন, সড়কে ল্যাম্পপোস্টে লাইট না জ্বলায় চলাচল করতে ভয় লাগে।

আশরাফ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন,‘টমছমব্রিজের মুক্তিযোদ্ধা অফিসের পাশের গলিতেই আমার বাসা। জরুরি কাজে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। বাসা থেকে মূল সড়কে আসতে পাঁচ মিনিটের পথ। এ পর্যন্ত আসতে সড়কে ৩-৪টি রোডলাইট বন্ধ। অন্ধকারে ছিনতাইকারীর আনাগোনা বাড়ে। জরুরি লাইটগুলো জ্বালানো দরকার।’

হাউজিং গোলমার্কেটের বাসিন্দা ফারুক বলেন, ‘গোলমার্কেট নয়, হাউজিং মাঠের সঙ্গের লাইটগুলোও বন্ধ। অন্ধকারে বিভিন্ন জায়গায় লোকজনের জটলা দেখেছি। কীসের জটলা সেগুলো বুঝতে পারিনি। অন্ধকার থাকায় ভয়ে কাছে যাইনি। এখন বাসায় ফিরছি।’

তেলিকোনা এলাকার মাওলানা সালমান বলেন, ‘মূল সড়কে ঘুটঘুটে অন্ধকার। সড়কে কিছু লাইট থাকলে বাকি লাইটগুলো বন্ধ থাকায় কোনও আলো নেই। আলো না থাকলে ছিনতাই ঘটনা ঘটবে, এটাই স্বাভাবিক। 

কুমিল্লা সিটিকর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) খাইরুল বাসার বলেন, ‘বিভিন্ন সড়কে লাইট নেই এটা সত্য। লাইটের জন্য আবেদন করা হয়েছে, আসতে আসতে ২ মাসের মত সময় লাগতে পারে। আর টমশমব্রিজ ও কেটবাড়ি সড়কে এখনো লাইন লাগানো হয়নি, কাজ চলমান আছে। তবু হাউজিং, মেডিকেল, তেলিকোনার সাইটগুলো আমি চেক দিয়ে কিছু লাইট লাগানোর ব্যবস্থা করছি ‘

এটিআর/

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন