সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের। আগত পর্যটকরা সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে মেতে উঠেছেন, কেউবা সৈকতের বেঞ্চে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
শুধু সমুদ্র সৈকতই নয়, তিন নদীর মোহনা, ঝাউবন, শুটকি পল্লী, গঙ্গামতী, লাল কাকড়ার চর, মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির এবং সমুদ্রপথে বিভিন্ন দ্বীপসহ বনাঞ্চলেও পর্যটকদের উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, সৈকত নগরীর প্রায় ৮০% হোটেল ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির পাশাপাশি কুয়াকাটায় চলছে মাসব্যাপী পর্যটন মেলা। মেলায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন, স্থানীয় পণ্যের প্রদর্শনী এবং বিনোদনের বিশেষ ব্যবস্থা থাকায় পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বেড়েছে। ফলে হোটেল ও খাবার ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও বেড়েছে।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক হামিদ বলেন, ‘কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নিরিবিলি পরিবেশ সত্যিই মনোমুগ্ধকর। সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। মেলা উপলক্ষে আরও আনন্দ পাচ্ছি।’
বরিশাল থেকে আসা মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ‘পর্যটন-সংশ্লিষ্ট সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে। পদ্মাসেতুর সুফল কুয়াকাটার পর্যটন খাত পাচ্ছে, তবে ফরিদপুর-কুয়াকাটা মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা দরকার। এছাড়া পর্যটকদের জন্য আরও বিনোদনের ব্যবস্থা বাড়ানো উচিত।’
পর্যটকদের নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, ‘সাপ্তাহিক ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা অনেক বেশি। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বিভিন্ন টিমে ভাগ হয়ে দায়িত্ব পালন করছে। মোবাইল টিমও সক্রিয় রয়েছে, পাশাপাশি মাইকিংয়ের মাধ্যমে পর্যটকদের সচেতন করা হচ্ছে।’
জাকারিয়া জাহিদ/এটিআর

