টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি স্থান থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জেলার কালিহাতী থেকে দুইজন ও বাইসাইল উপজেলা থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ভূঞাপুর ও বাসাইল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, কালিহাতী থেকে পাওয়া মরদেহ দুটি বাসচাপায় নিহত ভ্যানচালক ও এক যাত্রীর। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে উপজেলার জোকারচর এলাকার ১৮ নম্বর ব্রিজের কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়। তবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
যমুনা সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক তাহেরুল ইসলাম জানান, দুপুরে ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান নিয়ে চালক ও এক যাত্রী যমুনা সেতু এলাকা থেকে সল্লা বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় ৪ নম্বর ব্রিজের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি বাস ভ্যানটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এ সময ভ্যানের চালক ও এক যাত্রী ওই বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে যমুনা সেতু থানায় রাখা হয়েছে। বাসটি আটক করলেও চালক ও সহকারী পলাতক রয়েছে।
এদিকে জেলার বাসাইলে অভিজিৎ কুমার (২৬) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একইদিন দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের গুল্যা এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত অভিজিৎ কুমার সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার পাঁচগাছি গ্রামের রিপন চন্দ্র সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে যুবকের মরদেহটি দেখতে পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। তার প্যান্টের পকেটে জন্মসনদ দেখে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তবে লোকটিকে গত দুইদিন ধরে ওই এলাকায় ঘুরাফেরা করতে দেখা গেছে।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মেম্বার-চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।’
রেজাউল করিম/এমজে

