শিশু চুরি করে বিক্রির ৩ দিন পর উদ্ধার, এক নারী গ্রেপ্তার
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২১:১৮
ছবি : বাংলাদেশের খবর
শেরপুরে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় আড়াই মাসের এক কন্যাশিশুকে বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে তিনদিন পর শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। একইসাথে ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সাঈদ। এর আগে, বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা সদর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার ও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি, সদর উপজেলার লসমনপুর গ্রামের ইজ্জত আলীর স্ত্রীর জরিনা (৪৮)।
পলাতকরা আসামিরা হলেন- জরিনার মেয়ে সাবিনা (২৮), সদর উপজেলার কামারেরচর গ্রামের সুলতান মিয়া (৪৫) ও টাংগাইল সদরের এমদাদুল হকের স্ত্রী সানোয়ারা খানম (৩০)।
পুলিশ জানায়, নকলা উপজেলার কুলাদি গ্রামের তানিয়া আক্তার ও লতিফুর রহমান দম্পতির আড়াই মাসের কন্যাশিশু লাবিবাকে ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে শেরপুর শহরের বটতলা এলাকার একটি ক্লিনিকে। ওই ক্লিনিকে পূর্ব পরিচিত শিশু চোর চক্রের সদস্য জরিনা শিশুটির মাকে বোকা বানিয়ে তার মেয়ে সাবিনার সহায়তায় শিশুটিকে চুরি করে টাঙ্গাইল জেলা সদরের এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে এক লাখ ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
ঘটনার পর পুলিশ অভিযোগ পেয়ে অভিযান শুরু করে। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি জরিনাকে শহরের মাধবপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে টাঙ্গাইল জেলা সদরের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় শিশু লাবিবাকে।
এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকী আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।’
শাহরিয়ার শাকির/এমআই

