ডিএসইতে আইপিও পরবর্তী তালিকাভুক্তি বিষয়ক কর্মশালা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৪০
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি’র পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেছেন, আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর কোম্পানিগুলোর প্রকৃত দায়িত্ব শুরু হয়। নিয়ম, নীতিমালা ও শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করাই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসিত কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার মূল হাতিয়ার।
রোববার (১২ অক্টোবর) ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি আয়োজিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ‘কনটিনিউইং লিস্টিং রিকোয়ারমেন্টস পোস্ট আইপিও’-এর সমাপনী ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসই পরিচালক বলেন, ‘তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো যদি আইপিও-পরবর্তী নিয়ম ও নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলে, তবে বিনিয়োগকারীরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি সামগ্রিকভাবে পুঁজিবাজারও হবে আরও স্থিতিশীল ও শক্তিশালী। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা লিস্টিং রিকোয়ারমেন্টস, আর্থিক প্রতিবেদন ও প্রকাশযোগ্য তথ্য বিষয়ে গভীর ধারণা লাভ করেছেন, যা বাস্তব কাজে তাদের আরও দক্ষ করে তুলবে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর পরিচালক মো. আবুল কালাম এবং ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল আমিন রহমান।
তিন দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নেন বিএসইসি পরিচালক মো. আবুল কালাম, একনাবিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের পরিচালক মাহমুদুর রহমান, এফসিএ, এবং ডিএসই’র লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম। তাঁরা কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড ২০১৮, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স ১৯৬৯, বিএসইসি (রাইটস ইস্যু) রুলস ২০০৬, রিভ্যালুয়েশন গাইডলাইনস, ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিং সিস্টেম এবং লিস্টিং রিকোয়ারমেন্টস বিষয়ক কমপ্লায়েন্স ও এনফোর্সমেন্ট নিয়ে আলোচনা করেন।
পরে প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।
এএইচএস/এমএইচএস

