Logo

অর্থনীতি

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নে নিয়মিত অর্থ বরাদ্দের দাবি

Icon

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৫, ১৭:৫৭

অ
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নে নিয়মিত অর্থ বরাদ্দের দাবি

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের উন্নয়নে শিল্প মন্ত্রণালয় এসএমই নীতিমালা ২০২৫ তৈরি করছে। ২০১৯ সালের নীতিমালার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন শুরু হতে যাচ্ছে। তবে এর সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের জন্য নিয়মিত অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশনসহ অন্য সহযোগীরা। 

বুধবার (২২ জানুয়ারি) এসএমই ফাউন্ডেশন ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন-ইআরএফ’র যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত 'এসএমই নীতিমালা-২০২৫ : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ' কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মুশফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল শক্তি হচ্ছে ক্ষুদ্র, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাত, যা দেশের জিডিপিতে প্রায় ২৮ শতাংশ অবদান রাখে এবং কর্মসংস্থানের ৮৫ শতাংশ এই খাতের মাধ্যমে ঘটে। এসএমই খাতের বিকাশ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন নীতিমালা ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে এসএমই ফাউন্ডেশন।’

এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মূল প্রবন্ধে বলেন, ‘এসএমই নীতিমালা ২০২৫-এর মাধ্যমে ২০২৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮৩টি কর্মকৌশল ও ৩১০টি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তবে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি ও মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।’

এ ছাড়াও এসএমই ফাউন্ডেশন এর আগে ১১টি জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা, ৯১টি আঞ্চলিক মেলা এবং ২০০ প্লাস উদ্যোক্তাকে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে সহযোগিতা করেছে। এ ছাড়া এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন সেবা ও প্রশিক্ষণ প্রদান, অনলাইন সাপ্লাইয়ার প্ল্যাটফর্ম তৈরি এবং পণ্যের মানোন্নয়নেও সহায়তা করা হয়েছে।

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের এসএমই খাতের জিডিপিতে অবদান উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম, উদাহরণস্বরূপ পাকিস্তানে ৪০ শতাংশ, শ্রীলংকায় ৫২ শতাংশ, চীনে ৬০ শতাংশ এবং ভারতে ৩৭ শতাংশ। এই অবস্থার উন্নতির জন্য এসএমই নীতিমালা ২০২৫ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদ এসএমই খাতের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে অর্থায়ন, উচ্চ সুদের হার, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত ও পণ্যের বাজারজাতকরণের সমস্যাগুলোর কথা উল্লেখ করেন এবং এসব সমস্যার সমাধানে সুস্পষ্ট পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা জানান। 

এ ছাড়া এসএমই নীতিমালা ২০২৫ বাস্তবায়নে নিয়মিত অর্থ বরাদ্দ ও সহযোগী মন্ত্রণালয়গুলোর তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ কর্মশালায় এসএমই খাতের উন্নয়ন এবং বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগ ও সহযোগিতার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এএস/এমজে

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন