ব্যংককে ক্রিমিনাল ইনস্টিটিউট হিসেবে তৈরি করা হয়েছে : বাণিজ্য উপদেষ্টা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫:৩১
ব্যংককে গত ১৫ বছরে ক্রিমিনাল ইনস্টিটিউট হিসেবে তৈরি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত পলিসি কনক্লেভে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনার মূল বিষয় ছিল ‘খাদ্যপণ্যের যৌক্তিক দাম : বাজার তত্ত্বাবধানের কৌশল অনুসন্ধান’।
বশির উদ্দিন বলেন, ‘ব্যংককে গত ১৫ বছরে ক্রিমিনাল ইনস্টিটিউট হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংককে ধংস করা হয়েছে। এই ব্যাংক আইনে দুর্বৃত্তায়ন করা হয়েছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (টিসিবি) ধংস করা হয়েছে ১৫ বছর ধরে।’
তিনি বলেন, ‘১২ হাজার কোটি টাকার একটা অপারেশন করে মাত্র ১৪২ জন। উপকারভোগীদের সংখ্যা ১ কোটি। শুনতে ভালোই লাগছে। কিন্তু আমরা যখন প্রাথমিকভাবে যাচাই করেছি, দেখলাম ৪৩ লাখ ভুয়া। আমার ধারণা এটি এক্সট লেভেলে যাচাই করলে আরো ২০-২৫ লাখ ভুয়া পাওয়া যাবে। অন্যদিকে, ব্যবসায়ীরা টিসিবির টেন্ডারে অংশ নেন না। আমি অনুরোধ করছি আপনারা অংশ নেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিযোগিতা কমিশনকে পুরোপুরি স্বাধীন করে দিতে চাই। বাজারে যাতে প্রতিযোগিতা বিরোধী কোনো কর্মকান্ড না ঘটে। মন্ত্রণালয়ের সেখানে কোনো হস্তক্ষেপ যেন না থাকে, সেদিকে আগাতে চাই।’
স্বল্প নয় দীর্ঘ মেয়াদে পরিকল্পনা গ্রহণ করা আমাদের প্রয়োজন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘ধান সংগ্রহে সরকারি সংগ্রহটা সীমিত করতে চাই। সরকারি সংগ্রহটা আমদানি নির্ভর হওয়া উচিত। তাহলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।’
‘আমার মনে হয় শেখ হাসিনার নামে একটা পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া দরকার। কারণ বায়তুল মোকাররমের খতিব যদি পালিয়ে যাওয়া লাগে, তাহলে বুঝতে হবে কী পরিমাণ ধংস করা হয়েছে সবগুলো খাত। একাডেমি থেকে শুরু করে সব খাত কিভাবে ধংস করা হয়েছে।’ বলেন বশির উদ্দিন।
এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের নীতিগুলো ধনিক শেণিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য হয়েছে। ভোক্তা বা সাধারণ মানুষকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এসব নীতি গ্রহণ হয় না। বিগত ১৫ বছর দেশে উল্লেখযোগ্য কোনো বিনিয়োগ হয়নি। যদি সেটি না হয় তাহলে কর্মসংস্থান কীভাবে হবে? কীভাবে আমরা কার কাছে কর আদায় করব?’
এএইচএস/এমজে

