কুমিল্লায় আলো ছড়াচ্ছে দারুল উলূম মকবুলিয়া
মুফতি সাইদ আল কাসেমী
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:২০
ধর্মীয় শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা মানুষ গড়ার সর্বোত্তম হাতিয়ার ও সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম। কিন্তু এর পূর্ণতা আসে তখনই, যখন তা জাতীয় আদর্শ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতায় সমৃদ্ধ হয়। কেবল ধর্মভিত্তিক শিক্ষাই এ মেরুদণ্ডকে সুদৃঢ় ও হাতিয়ারটিকে কার্যকর করতে পারে। আদর্শ ও নৈতিকতাবিহীন শিক্ষা কখনো প্রকৃত মনুষ্যত্ব দিতে পারে না। পাশ্চাত্য সমাজের বর্তমান অবস্থা এর প্রমাণ। ইউরোপ-আমেরিকায় আদর্শের সংকট, নৈতিক অবক্ষয়, পারিবারিক বন্ধনের ছিন্নতা, মাদকাসক্তি, অপরাধ ও আত্মহত্যার প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ ধর্মীয়-নৈতিক শিক্ষার প্রতি উদাসীনতা এবং সেক্যুলারিজমের নামে ধর্মকে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করা। খোদাভীতি, আখলাক ও আখেরাতের চেতনা শিক্ষা থেকে সরিয়ে ফেললে সমাজ উপাদানগত উন্নয়ন পেলেও রূহানী-আখলাকী দিক শূন্য হয়ে হতাশা ও সংকট দেখা দেয়। ১৭৫৭ সালে পলাশীর পরাজয়ের পর এ দেশে বৃটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলমানদের ওপর সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক নির্যাতন শুরু হয়। ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও আগ্রাসনের শিকার হয়। বৃটিশদের ষড়যন্ত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মভিত্তিক একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। ১৮৩৫ সালে লর্ড মেকলের নেতৃত্বে সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল এমন এক গোষ্ঠী সৃষ্টি করা যারা রক্তে-রঙে ভারতীয় কিন্তু চিন্তা-নৈতিকতায় ইংরেজ। ১৮৫৭ সালের বিপ্লব ব্যর্থ হলে মুসলমান ও আলেমদের ওপর নির্যাতন বেড়ে যায়; সমাজ ধর্মীয় নেতৃত্বশূন্য হয়। এ অবস্থায় ১৮৬৬ সালে জনসাধারণের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল উলূম দেওবন্দ। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও সার্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অল্প সময়ে এটি কেন্দ্রীয় মর্যাদা লাভ করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর ধারায় অসংখ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। বাংলাদেশেও স্বাধীনতার আগে-পরে এ ধারায় অনেক প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়, যারা আদর্শ জাতি গঠন ও ধর্মীয় প্রয়োজন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দারুল উলূম মকবুলিয়া মাদরাসা দেওবন্দের শিক্ষাধারায় পরিচালিত একটি প্রধান দ্বীনি প্রতিষ্ঠান, যা আট বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখছে। দারুল উলূম মকবুলিয়া মাদরাসা দারুল উলুম দেওবন্দের শিক্ষা ধারায় পরিচালিত একটি অন্যতম দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। যা বছর আটের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় প্রয়োজন পূরণে বিরাট ভূমিকা পালন করে আসছে।
নাম ও অবস্থান
পুরো নাম দারুল উলূম মকবুলিয়া মাদরাসা। মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা জনাব মুখলেসুর রহমানের সম্মানিত পিতা মকবুল আহমদের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়। অবস্থান: কুমিল্লা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রাচীন ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলা। ত্রিপুরা (ভারত) রাজ্যের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু।
কুমিল্লা বাংলাদেশের অন্যতম দ্বীনি শিক্ষা ও তাবলিগের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখান থেকে উঠে এসেছে জাতীয় মসজিদের খতীব, দেশ-সেরা মুফতি, জনপ্রিয় সু-সাহিত্যিক ও বিদগ্ধ অসংখ্য মুহাদ্দিস ও শিক্ষাবিদ। যারা দেশের আনাচে-কানাচে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন। ঐতিহ্যবাহী এ-জেলার দেবিদ্বার থানার কাচিসাইর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় এ মাদরাসা।
প্রতিষ্ঠা
১৪৩৯ হিজরী মোতাবেক ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে এ মাদরাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন হযরতওয়ালা শাহ আবদুল মতীন সাহেব দা. বা. (পীর সাহেব, ঢালকানগর)-এর বিশিষ্ট খলীফা শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি আবুল কালাম সাহেব দা. বা.। অদ্যবদি তার সুচারু পরিচালনায় উন্নতির পানে এগিয়ে চলছে মাদরাসা।
জমিদাতা
জনাব মুখলেসুর রহমান মুন্সী, জনাব মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির মুন্সী, জনাব আবু তাহের মুন্সী ও জনাব ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফিজুর রহমান সাহেবদের দানকৃত জমির উপর এই প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
জ্ঞানপিপাসু মুসলিম সন্তানদেরকে কোরআন ও হাদীসের বিশুদ্ধ শিক্ষায় শিক্ষিত করে পৃথিবীতে একদল যোগ্য, সংশয়হীন, বলিষ্ঠ ঈমানদার, মুবাল্লিগ, আবেদ ও নিষ্ঠাবান আল্লাহর প্রতিনিধি তৈরির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি যুগ ও সমাজের চাহিদা মোতাবেক বহুমুখী সেবা আঞ্জাম দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলার হুকুমকে সমুন্নত রাখা ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করাই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ ও উদ্দেশ্য।
বৈশিষ্ট্য
এটি একটি সম্পূর্ণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আল্লাহর ওপর ভরসা-ই এর যাবতীয় খরচ নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। জনাব ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফিজুর রহমান সাহেবের আন্তরিকতা এক্ষেত্রে অবিস্মরণীয়। মাদরাসার গোরাবা ফান্ড থেকে গরিব ও এতিম মেধাবী ছাত্রদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। প্রয়োজনে অন্যান্য আর্থিক সাহায্যও করা হয়। পাশাপাশি ছাত্রাবাসে সকল ছাত্রের জন্য ফ্রি থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রদের আমল-আখলাক ও পড়া-শোনার প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য বিচক্ষণ ও সুযোগ্য আসাতিযায়ে কেরাম সার্বক্ষণিক নেগরানিতে নিয়োজিত রয়েছেন। এবং এ মাদরাসাটি সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
মাদরাসার বিভাগসমূহ
১। নুরানী বিভাগ (প্রাইমারী) : উক্ত বিভাগে সর্বমোট ৩ বছরে প্লে থেকে ২য় শ্রেণি পর্যন্ত প্রয়োজনীয় বাংলা, অংক, ইংরেজিসহ নাজেরা কোরআন শরীফ, হাদিস, মাসনুন দোয়া ও প্রাথমিক জরুরি মাসায়েল শিক্ষা দেওয়া হয়।
২। নাজেরা বিভাগ (প্রি-হিফজ) : উক্ত বিভাগে হিফজের জন্য যোগ্য করে তুলতে পুরো কোরআন শরীফ তাজবীদ সহকারে নাজেরা পড়ানো হয়। পাশাপাশি হাদিস, দোয়া, মাসআলা, বাংলা, অংক ও ইংরেজির প্রতিও গুরুত্বারোপ করা হয়।
৩। হিফয বিভাগ : এ বিভাগে সযত্নে আধুনিক পদ্ধতিতে ছাত্রদের কোরআনে কারীম হিফয করানো হয়।
৪। হিফজ রিভিশন বিভাগ : উক্ত বিভাগে হিফজ সবক সম্পন্নকারী ছাত্রদের এক বছরে তাজবীদ সহকারে মাশক্ব, লাহানসহ পুরো কোরআন শরীফ মজবুতির সাথে ইয়াদ করানো হয় এবং বেফাক পরিক্ষার পর ‘শবীনা’ তথা এক বৈঠকে পুরো কোরআন শরীফ শোনা হয় এবং পুরুষ্কৃত করা হয়।
৫। কিতাব বিভাগ : এটি মারাসার প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এই বিভাগটি উর্দূ জামাত থেকে নিয়ে মিশকাত জামাত পর্যন্ত। হিফজ বা নাজেরা সম্পন্নকারী তালিবুল ইলমদের কোরআন, হাদিস, ফিকহ, তাফসীর, আকাইদ, আরবী- উর্দূ ভাষা ও সাহিত্য , আরবী ব্যকরণ ও যুক্তিবিদ্যাসহ ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পারদর্শী করে তোলা হয়। এই বিভাগে উর্দূ থেকে তাইসীর জামাত পর্যন্ত উর্দূ ও ফারসীর প্রতি এবং মিজান জামাত থেকে মিশকাত জামাত পর্যন্ত আরবী ভাষা, ব্যাকরণ ও সাহিত্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এবং হিফজ সমাপণকারী ছাত্রদের জন্য একবছরে মিজানপর্যন্ত একটি খুসুসী (বিশেষ) জামাত রয়েছে।
৬। ফতোয়া বিভাগ : বিশ্ব বিখ্যাত দারুল উলূম দেওবন্দসহ দেশ বিদেশের স্বনামধন্য সর্বোচ্চ দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা সমাপ্ত করা যোগ্য মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা গঠিত একটি উচ্চ মানসম্পন্ন ফতোয়া বোর্ড রয়েছে। এ বিভাগ থেকে সমকালীন বিভিন্ন জিজ্ঞাসা ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যার শরয়ী সমাধান দেওয়া হয়।
৭। ছাত্র কাফেলা : ছাত্র কাফেলা ছাত্রদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সমস্যাদি সমাধানসহ নিম্নোক্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখাসমূহ পরিচালনা করে থাকে।
পাঠাগার
সাহিত্য চর্চার জন্য বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সাহিত্য অধ্যয়ন করা আবশ্যক। তাই ছাত্র কাফেলার পক্ষ থেকে একটি উন্নত পাঠাগারের ব্যবস্থা রয়েছে। এতে রয়েছে বাংলা সাহিত্য, ইসলামের ইতিহাস, বিজ্ঞান, ভূগোল, তাফসীর, মনীষীদের জীবনী ইত্যাদি বিষয়ের অসংখ্য বই।
বক্তৃতা প্রশিক্ষণ বিভাগ
নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম ছাড়াও সর্বসাধারণের মাঝে ধর্মীয় জ্ঞানের ব্যাপক প্রচার ও যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে যুগের চাহিদার প্রেক্ষিতে ছাত্রদের বিশেষ অনুশীলনের জন্য বক্তৃতা ও সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতামূলক বিষয়ভিত্তিক সেমিনারের ব্যবস্থা রয়েছে।
দেয়ালিকা
আদিকাল থেকেই সত্য-মিথ্যার লড়াই চলছে দু’ভাবে- ১. অস্ত্র বা অসি দ্বারা, ২. বক্তৃতা ও লেখনী দ্বারা। লিখিত আকারে বাতিলের উচিৎ জবাব দেয়ার জন্য ছাত্রদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর কবিতা, ছোট গল্প, প্রবন্ধ লিখে বছরে দু‘বার ‘আল মকবুল’ নামক দুটি বাংলা ও আরবি দেয়ালিকা প্রকাশ করা হয়।
দারুশ শিফা
ছাত্র কাফেলার পক্ষ থেকে একটি শক্তিশালী সেবকদল ও চিকিৎসা ফান্ড রয়েছে। সেখান থেকে রোগাক্রান্ত ছাত্রদেরকে জরুরি ভিত্তিতে অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর ঔষুধ ও পথ্যেয় ব্যবস্থা করা হয়।
শিক্ষকমণ্ডলী, স্টাফবৃন্দ ও ছাত্র সংখ্যা
মাদরাসার সর্বমোট ৪২ জন অভিজ্ঞ ও সুযোগ্য শিক্ষক এবং স্টাফ বিভিন্ন দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন।
চলতি শিক্ষাবর্ষে (১৪৪৭ হিজরী/২০২৫ ঈসায়ী) মাদরাসার সর্বমোট ছাত্র সংখ্যা ৭০০-এর অধিক।
ছাত্রদের তারবিয়াত
সুন্নাতের তালীম : ইলম অর্জনের পাশাপাশি ছাত্রদের সুন্নাতের অনুসারী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সুন্নাতের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। নামাযের মশক: ঈমানের পর মুমিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নামায। নামায সঠিক ও সুন্দর হলে মুমিনের সব আমলে সৌন্দর্য ও দুরস্তী এসে যায়। তাই হাদীস ও ফিকহের কিতাবসমূহে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের নামায যেভাবে বর্ণিত হয়েছে ছাত্রদের তার বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
তারবিয়াতী জলসা : তালিবুল ইলমের মূল পরিচয় তালিবুল ইলম ওয়াল আমাল। ইলম অর্জনের পাশাপাশি ছাত্রদের আমলের সার্বিক উন্নতি বিধান, এত্তেবায়ে সুন্নাত, আকাবিরের অনুকরণ ও চরিত্রের উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে সপ্তাহে সোমবার তারবিয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া মাদরাসার উস্তাদগণ দরসের ফাঁকে ফাঁকে তারবিয়াত প্রদান করে থাকেন। বিশেষ করে বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার সম্মানিত মুহতামিম সাহেব দা.বা. আবেগাপ্লুত মর্মস্পর্শী তারবিয়াতী নসীহত এবং দেশ ও মুসলিম উম্মাহর কল্যণের জন্য দুআ করে থাকেন।
দাওয়াত ও তাবলীগ
ওলামায়ে কেরামের মূল দায়িত্ব হচ্ছে ইলমে দ্বীনের প্রচার এবং দ্বীনের দাওয়াত ও তাবলীগ। ছাত্রদের মাঝে এ দায়িত্ববোধের জাগরণ ও তাতে অভ্যস্ত করার লক্ষ্যে দাওয়াত ও তাবলীগের বিভিন্ন তারতীবে অংশগ্রহণ করা হয়। মাদরাসা খোলা অবস্থায় উস্তাদগণের তত্ত্বাবধানে সাপ্তাহিক ২৪ ঘন্টার দাওয়াতী জামাত বের হয়। উস্তাদগণ সাময়িক ছুটিতে ৩/৭/১০/১৫ দিন দাওয়াতী কাজে শরীক হওয়া এবং বার্ষিক ছুটিতে চিল্লায় বের হওয়ার তাগিদ দিয়ে থাকেন। ফলে বহু ছাত্র যথারীতি দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে শরীক হয়ে ওয়ারাছাতে নববীর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এমনিভাবে ছুটিতে এলাকার মানুষদের মাঝে দ্বীনি জরুরি মাসআলা-মাসায়েলের তালীম, অযু ও নামাযের বাস্তব অনুশীলনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে থাকেন।
লেখক : প্রাবন্ধিক, মুহাদ্দিস
বিকেপি/এমএইচএস

